সাইট রিভিউ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাইট রিভিউ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

টেকশপ - Techshopbd.com

টেকশপ - Techshopbd.com
আসসালামু আলাইকুম,
বাসার পাশের দোকানে কোনো যন্ত্রপাতি না পেলে কোথায় যাই?

হয় স্টেডিয়াম মার্কেট, মিরপুর ১, পাটুয়াটুলি, গুলিস্তান।
কিন্তু যারা বাহিরে যেতে চান না তারা নেট পেলেই চলে যান টেকশপে।



হ্যাঁ, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যা শুধু ইলেকট্রনিক্স এবং এঞ্জিনিয়ারিং পন্যের জন্য।

এখানে আপনি শুধু কিনতে নয়, পারবেন নিজের বানানো কোন সার্কিট বা মডিউল বিক্রিও করতে।   
এছাড়া তারা নিজেদের তৈরি মডিউলও বিক্রি করে সেখানে,
যেকোনো প্রকার সেন্সর, মাইক্রোচিপ, আইসি এবং অন্যান্য খুচরা যন্ত্রাংশ পাবেন হাতের নাগালের দামেই। ইচ্ছে মতো পন্যের জন্য তাদের একটাই সার্ভিস চার্জ। এছাড়া সহজ ইন্টারফেস এর কারণে কেনাকাটাও সহজ। এছাড়া কেনার পর আপনার ইমেইলে পৌঁছে যাবে পুরো মেমো। এছাড়া প্রোডাক্টের পুঙ্খানুপুঙ্খ ডিটেইলও সেখানে পাবেন।
আমি পরামর্শ দেবো সকাল ৯টার আগে অর্ডার প্লেস করতে, এতে জিনিস সে দিনই ডেলিভারি পাবেন।নতুবা পর দিন ডেলিভারি পাবেন। 

এছাড়া নানা রকম অনলাইন কুইজে অংশ নিয়ে প্রমো কোড জিতে কেনাকাটায় ডিস্কাউন্ট পেতে পারেন।

এছাড়া নিজের কোন প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড দরকার হলে কেবল তাদের কাছে দিজাইন দিয়ে অর্ডার করলেই পেয়ে যাবেন আপনার প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড! 

এছাড়া আপনি যদি ইলেক্ট্রনিক্স এবং মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রোগ্রামিংএ একদম নতুন হন তবে টেক শপ বিডি এর নানা কোর্সে অংশ নিতে পারেন, এছাড়া ফ্রি সেমিনারেও যেতে পারেন।

এছাড়া কিছু মজার মজার প্রোজেক্ট টিউটোরিয়ালও পাবেন সেখানে,

এছাড়া ক্যাশ পেমেন্টের জন্য আছে সকল ব্যাবস্থাই!




এমনকি বিশ্ববিখ্যাত স্পার্কফান ইলেক্ট্রনিকসের অফিশিয়াল রিসেলার হল টেকশপ বিডি!












আরও পড়ুন

এবার ডেস্কটপেও চালান ফেসবুক মেসেঞ্জার! www.messenger.com

এবার ডেস্কটপেও চালান ফেসবুক মেসেঞ্জার! www.messenger.com
আসসালামু আলাইকুম,

এবার ডেস্কটপেও চালান ফেসবুক মেসেঞ্জার!
যারা ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ ইউজার তারা সহজেই www.messenger.com থেকে স্মার্টফোনের মেসেঞ্জার ব্যাবহার করতে পারবেন।
একজন স্মার্টফোন ব্যাবহারকারি মোবাইলে ফেসবুক মেসেঞ্জারে যে সুযোগ সুবিধা পান আপনিও তাই পাবেন। কেবল মেসেজ নোটিফিকেশন বাদে।





আরও পড়ুন

অনলাইনে টিভি দেখার সাইট জাগো বিডি ডট কম - Jagobd.com

অনলাইনে টিভি দেখার সাইট জাগো বিডি ডট কম - Jagobd.com
আসসালামু আলাইকুম,

অনেকের মা অথবা বোন যে টিভি দখল করেছে তা আমি জানি...আমি আপনাদের দলের সদস্য... :p

এখন আমরা জাগো বিডি ডট কমে বিটিভি লাইভ দেখতে পারি। এখন খেলা দেখুন মোবাইলে, এমনকি ডেস্কটপেও!

এটি বাংলাদেশের একমাত্র লাইসেন্স প্রাপ্ত অনলাইন ফ্রি টিভি প্রোভাইডার।
এখানে চ্যানেল সংখা কম। তবে অ্যাপ নামিয়ে নিলে বেশি চ্যানেল পাবেন।





এখনি প্লে স্টোর থেকে জাগো বিডি অ্যাপ নামিয়ে খেলা উপভগ করুন অথবা অনলাইনে www.jagobd.com এ যান!
আরও পড়ুন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় গানের ওয়েবসাইটঃ music.com.bd

বাংলাদেশের জনপ্রিয় গানের ওয়েবসাইটঃ music.com.bd
আসসালামু আলাইকুম,

গান পাগলারা এই সাইটের নাম শোনেননি শুনলেই কেমন লাগে।
এই সাইটটি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়, ব্যাবহারবান্ধব ও ডাটা সাশ্রয়ী ওয়েবসাইট।
আপনি এখানে পছন্দের গান সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন। ডায়নামিক এইচটিএমএল এবং এক্সএমএল
দিয়ে ডেভেলাপ করা হয়েছে ওয়েবসাইটটি।

music.com.bd


এখানে আপনি পারবেন কেবল এমপিথ্রি গানটি স্ট্রিম করে ব্রাউজারেই শুনতে। অবশ্য এতে ফ্ল্যাশ প্লেয়ার লাগবে।
আপনি গানের পেজে ঢুকলেই ডাটা কাটবে না। আপনি যতক্ষণ না এমপিথ্রি স্ট্রিম না করবেন ততক্ষণ গান লোড হবে না।

পারবেন গান সার্চ করতে


এছাড়া গানের বিট রেট অনুযায়ী ডাউনলোড করতে পারবেন।
এতে আপনার ডাটাও বাঁচবে, গানের কোয়ালিটিও আপনার পছন্দসই হবে।

গানের ডিটেল পেজ

এছাড়া আছে বাংলাদেশের রেডিওগুলো অনলাইনে শোনার সুযোগ!

ওদের রেডিও পেজ!

এছাড়া গানের অ্যালবাম, রিলিজ ডেট এবং অন্যান্য সকল তথ্য অবশ্যই পাবেন।


তবে সাইটটি দেখে নিন এবং পোস্ট শেয়ার করুন!

www.music.com.bd


...
আরও পড়ুন

উইকিপিডিয়া

উইকিপিডিয়া
আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন? আজ আপনাদের উইকিপিডিয়া নিয়ে কিছু বলবো এবং জানাবো।

উইকিপিডিয়া (http://wikipedia.org) একটি উন্মুক্ত বিশ্বকোষ।
উইকিপিডিয়া একটি বহুভাষীক বিশ্বকোষ যাতে বিশ্বের যে কেউ লেখতে বা সম্পাদনা করতে পারেন।
অর্থাৎ এটি বর্তমানে অনেকগুল ভাষায় প্রচলিত আছে। বর্তমানে বাংলা ভাষা সহ ২৮৭ টি ভাষায় উইকিপিডিয়া সাইট রয়েছে।

এর প্রতিষ্ঠাতারা বলেছিলেন, এটি পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের কাছে তার নিজ মাতৃভাষায় বিনামূল্যে উচ্চমান সম্পন্ন জ্ঞানভান্ডার পৌছে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা।

উইকিপিডিয়া পরিচালনা করে “উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন” নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।
 যারা 
উইকিসনারি (Wiktionary, এটি উইকিপিডিয়া ভিত্তিক ডিকশনারি),
উইকিবুক (Wikibook, উইকিপিডিয়া ভিত্তিক বইয়ের সম্ভার),
উইকিসোর্স (Wikisource, নানা জিনিশের উৎস ও তথ্যর সম্ভার) সহ উইকিপিডিয়ার আরও বিভিন্ন সহপ্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করেন।
উইকিপিডিয়া সাইটটি চলে উইকিপিডিয়ান (যারা উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখে ও তথ্য ইনপুট করেন) গ্রুপের দ্বারা।

এর নিবন্ধগুলো লেখক জিএনিউ ফ্রি ডকুমেন্টেশন লাইসেন্স (GFDL) এর আওতায় প্রকাশ করেন। তাই ঐ লাইসেন্স এর আওতায় এর নিবন্ধগুলো বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য।



উইকিপিডিয়ার জন্ম ২০০১ সালে।

জিমি ওয়েলস আর ল্যারি স্যাঙ্গার নামে দুই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রবাসী ২০০০ সালে প্রথমে শুরু করেছিলেন ন্যুপিডিয়া আর এরপর ২০০১ সালের ১৫ই জানুয়ারী তারা চালু করেন উইকিপিডিয়া।এটাই এর জন্মদিন।




২০০১ সালের ১৫ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষার জন্য http://www.wikipedia.com ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়। সেই সাথে উইকিপিডিয়া ন্যুপিডিয়া থেকে আলাদা একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানের মত কাজ শুরু করে। পরে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন নামে মূল সংস্থাটি চালু করায় উইকিপিডিয়ার ডোমেইন বর্তমানের wikipedia.org তে পরিবর্তিত হয়। কারণ .org ডোমেইটি অব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। আর উইকিপিডিয়ার প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্য ভাণ্ডার তৈরি করা, কোন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নয়।

সারা বিশ্বে সবার মাঝে তথ্য ছড়িয়ে দেবার জন্য ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি অন্যান্য ভাষার ব্যবহারকারীদের জন্য ২০০১ সালের মে মাসে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার সাথে কাতালান, চীনা, ওলন্দাজ, এসপারেন্টো, ফরাসী, জার্মান, হিব্রু, ইতালীয়, জাপানি, পর্তুগীজ, রুশ, স্পেনীয় এবং সুইডিশ ভাষায় উইকিপিডিয়া চালু করা হয়। এর কিছু দিন পরেই যোগ করা হয় আরবি ও হাঙ্গেরীয় এবং পোলিশ। ঐ বছরের শেষে আফ্রিকানস, নরওয়েজীয় এবং সার্বোক্রোয়েশীয়রা উইকিপিডিয়ায় যোগদানের ঘোষণা দেয়।


সবার মাঝে বিজ্ঞান এবং অন্যান্য তথ্য পৌঁছে দেবার জন্য ২০০৩ সালে টেক্স (Tex) ব্যবহার করে উইকিপিডিয়ায় গাণিতিক সূত্র সহ বিজ্ঞান বিষয়ক অন্যান্য তথ্য যুক্ত করা হয়। এর ফলে খুব তারাতারি ইংরেজি উইকিপিডিয়া ১০০,০০০ নিবন্ধের মাইলফলক অতিক্রম করে। একই বছর উইকিপিডিয়ায় লোগো হিসেবে ‘সবার জন্য তথ্য’ এই কথাটি নিশ্চিত করার জন্য “পৃথিবীর ছবি” যুক্ত করা হয়।

উইকিপিডিয়ার সার্ভারে সমস্যা!!!

২০১০ সালের মার্চ মাসের ২৪ তারিখে উইকিপিডিয়ার ইউরোপিয়ান সার্ভার অতিরিক্ত গরমের কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে ফ্লোরিডার অতিরিক্ত সার্ভারগুলো চালু করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু তাও সম্ভবপর হয়নি। যার ফলে উইকিপিডিয়ার সম্পূর্ণ সিস্টেম সারাবিশ্বে অকেজো হয়ে পড়ে। এ সমস্যাটি দ্রুতই সমাধান করা হয়। এরপর উইকিপিডিয়া নতুন সংস্করণের দিকে ঝুঁকে পরে। যার ফলশ্রুতিতে ২০১০ সালে ১৩ মে সাইটটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হয়। নতুন বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে ছিল- নতুন লোগো, নতুন নেভিগেশন টুল সহ আরও নতুন কিছু সুবিধা। যারা পুরনো সংস্করণটি ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য আগেরটি ব্যবহারের সুবিধাও রাখা হয়েছিল।

উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কাজ করার জন্য ২০০৮ সালে গঠিত বিভিন্ন উইকিপ্রকল্প তাদের নিজ নিজ বিষয়ের নিবন্ধগুলো তৈরি ও সমৃদ্ধ করতে থাকে। এপ্রিলে উইকিপিডিয়ার ১ কোটিতম নিবন্ধটি তৈরি হয় এবং এর কয়েক মাস পরেই ইংরেজি উইকিপিডিয়ার নিবন্ধ সংখ্যা ২৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়। ২০০৯ সালের আগস্ট মাসে সব উইকিপিডিয়ার সর্বমোট নিবন্ধ সংখ্যা দাঁড়ায় ১ কোটি ৪০ লাখ। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ ৪টা বেজে ৫ মিনিটে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার ৩০ লক্ষ তম নিবন্ধটি প্রকাশ পায়। যার ফলে উইকিপিডিয়া বিপুল পরিমাণ তথ্য ভাণ্ডারে পরিণত হয়। ওই বছরেরই মে মাসে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার বিতর্ক নিরসণ কমিটি ‘চার্চ অব সায়েন্টোলিজ’ এর আইপি ঠিকানাগুলো থেকে ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় সম্পাদনা সুবিধা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়াও ওই দলভুক্ত কিছু সদস্যের নির্দিষ্ট কিছু নিবন্ধে সম্পাদনার ওপরেও বাধা আরোপ করে। সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে কমিটি তার বক্তব্যে উল্লেখ করে যে, উভয় পক্ষই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরস্পরকে আক্রমণ করে চলেছে এবং ফলে ক্ষতির শিকার হচ্ছে অন্যান্য ব্যক্তিদের লেখা নিবন্ধগুলো।
বর্তমানে বাংলা ভাষা সহ ২৮৭ টি ভাষায় উইকিপিডিয়া সাইট রয়েছে। সবচেয়ে বড় ইংরেজি ভাষার উইকিপিডিয়া (http://en.wikipedia.org) এর নিবন্ধ কৃত তথ্যের সংখ্যা ২১ লক্ষেরও বেশি।

bn.wikipedia.org

আরও পড়ুন

ফেসবুক

ফেসবুক
আসসালামু আলাইকুম,

ফেসবুক চালান না কে কে? প্রায় সকলেই চালান মনে হয়। যারা এখনো চালাচ্ছেন না, তারা নিশ্চয়ই চালানোর জন্য একাউন্ট খুলবেন বলে ভাবছেন।

আসুন জেনে নিই এর আদ্যোপান্ত...

ফেইসবুক মূলত সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। আপনি কোনও খরচ ছাড়াই ফ্রিতে এখানে সাইন আপ করে ইউজ করতে পারবেন। 


এর মালিক হলো ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড।
এই সাইটে একজন ইউজার বন্ধু বানানো, বার্তা পাঠানো এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ইউজার শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক গ্রুপে যুক্ত হতে পারেন।

মার্ক জুকারবার্গ


মার্ক জাকারবার্গ, এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স এবং ক্রিস হিউজেস একসাথে ফেসবুক নির্মাণ করেন।ওয়েবসাইটটির সদস্যরা প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরাই ছিলেন, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সারাবিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন ৩০০ মিলিয়ন ইউজার!!
facebook
ফেসবুক হেডকোয়ার্টারের ভেতর

মার্ক জাকারবার্গ যখন হার্ভার্ড'এ তার ২য় বর্ষে পড়ছিলেন, তখন অক্টোবর ২৮, ২০০৩ এ তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বপুরুষ সাইট ফেসম্যাস। এতে তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউস এর শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যাবহার করেন। তিনি দুইটি করে ছবি পাশাপাশি দেখান এবং হার্ভার্ডের সব শিক্ষারথিদের ভোট দিতে বলেন। কোন ছবিটি হট(!) আর কোনটি হট(!) নয়। 'হট অর নট'। এজন্য মার্ক জুকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্রে হ্যাক করে প্রবেশ করেন। ফেসম্যাস সাইটে মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অন লাইন এর মাধ্যমে ভোট দেন।

ফেসবুক তার চলার পথে বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়েছে। সিরিয়া, চায়না এবং ইরান সহ বেশ কয়েকটি দেশে এটা আংশিকভাবে কার্যকর আছে। ফেসবুকের ব্যবহার সময়ের অপচয় ব্যাখ্যা দিয়ে কর্মচারীদের নিরুৎসাহিত করে এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০১৫ সাল পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী ফেসবুকের মূলধন ২১২ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে উঠেছে। যা বিস্ময়কর!

www.facebook.com


আরও পড়ুন

মোট পাতাদর্শিত