অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

চলে গেলেন ইমেইলের উদ্ভাবক রে টমলিনসন

চলে গেলেন ইমেইলের উদ্ভাবক রে টমলিনসন

আসসালামু আলাইকুম,


ইমেইল ছাড়া আধুনিক বিশ্বের যোগাযোগ প্রায় অসম্ভব।

আর এই ইমেইলের যিনি উদ্ভাবন করেছিলেন সেই রে টমলিনসন মারা গেছেন।



চুয়াত্তর বছর বয়সে মারা গেলেন এই মার্কিন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার।

১৯৭১ সালে তিনি প্রথম ই মেইলের মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক বার্তা আদান প্রদানের বিষয়টি শুরু করেন। এখন ইমেইল ছাড়া আধুনিক বিশ্বের যোগাযোগ প্রায় অসম্ভব।

বোস্টনে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি প্রথম আধুনিক ইমেইল বার্তাটি পাঠান।

বর্তমানে সব ধরনের ইমেইলের ক্ষেত্রে যে “@" প্রতীকের ব্যবহার করা হয় তারও প্রচলন শুরু হয় তার মাধ্যমে।

তিনি পরে বলেছিলেন, তার প্রথম ইমেইলে কি লেখা হয়েছিল সেটি তার আর স্মরণ নেই।
সোর্সঃ http://www.bbc.com/bengali/news/2016/03/160306_email_enventor_dies
আরও পড়ুন

নতুন রূপে গুগোল প্লাস, আরও সহজ, আরও সাশ্রয়ী - The New Look of Google + Plus

নতুন রূপে গুগোল প্লাস, আরও সহজ, আরও সাশ্রয়ী - The New Look of Google + Plus
আসসালামু আলাইকুম,দেখেছেন কিনা জানিনা। আমি দেখে অনেক অবাক হলাম, মজাও পেলাম।

গুগোল তাদের বেশ কিছু ফিচারের নতুন সংস্করণ চালু করেছে!

গুগোল প্লাস সম্পূর্ণ নতুন রূপে! আগের মতো স্লো না, অনেক ফাস্ট আর ব্যাবহার বান্ধব।



তবে এই নতুন গুগোল প্লাস আগের মতো নান্দনিক ডিজাইনের নয়, তবুও খারাপ বলা যায় না!




এখানে আর নেই সেই প্রোফাইল ভিসিট কাউন্টার। তবে আপনি ইচ্ছা করলে পুরনো ক্লাসিক ভার্সন ইউজ করতে পারেন।

এগুলো পুরনো ভার্সনের ছবি,



এছাড়া বাম পাশে চলে এসেছে কমিউনিটি, ফ্রেন্ডস আর অপ্সন গুলো।
আর কভার পিকচারের ডান পাশে রয়েছে প্রোফাইল এডিট বাটন।

আরও পড়ুন

অপারেটিং সিস্টেমস

অপারেটিং সিস্টেমস
হটাৎ ওএস নিয়ে লিখতে মন চাইলো। এমনিতে কাল এনসিও এর এক্সাম আছে। তাই পড়া হয়ে গেলো।

ইন্টার‌্যাক্টিভঃ

একটি ইন্টার‌্যাক্টিভ অপারেটিং সিস্টেম, ব্যবহারকারীরা অ্যাপ্লিকেশনের প্রোগ্রাম চালানো, কমান্ড এবং তথ্য সরবরাহ করতে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং ব্যবহারকারী ধ্রুত প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল পায়। ব্যবহারকারী কম্পিউটারের সাথে সরাসরি দুই ভাবে ওএস এর সাথে কমিউনিকেট করতে পারেন।

উদাহরণ: এটিএম মেশিন।


রিয়েল টাইমঃ

রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম এমন ভাবে তৈরি করা হয় যাতে এটি আগে থেকে ঠিক করা সময়ের মাঝে ফিডব্যাক দিতে পারে। এটি মুলত কোন প্রোগ্রাম রান করার জন্য তৈরি হয় না।

উদাহরণ: গ্রাউন্ড রাডার নিয়ন্ত্রণে, এটি বিমান নজরদারির রাডারে ব্যবহৃত হয়। যদি এটি ব্যাবহার না হয় তবে কোন ধরনের বিমান দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া বিমানের কম্পিউটারে এটা ব্যাবহার হয়।

নেটওয়ার্কঃ

নেটওয়ার্ক ওএস ব্যাবহার হয় এফটিপি বা অন্য কোন অনলাইন সার্ভারে। সার্ভার কম্পিউটার যাতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম চালু রাখতে পারে, সে জন্যে এটা ব্যাবহার হয়।

উদাহরণ: সার্ভার ওএস, লিনাক্স

ডিভাইসঃ 

সব কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম নেই। যদি একটি কম্পিউটার শুধুমাত্র একটি টাস্ক সম্পাদন করার প্রয়োজন হয়, তাহলে একটি মাত্র ফার্মওয়্যার প্রোগ্রাম দিয়ে সবচেয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করা যাবে। এর ফলে খরচ কমে যায়, অতিরিক্ত বড় ওএস লাগান দরকার হয় না।

উদাহরনঃ এমপি৩ প্লেয়ার, ভয়েস রেকর্ডার।




ডেস্কটপঃ


ডেস্কটপ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় উইন্ডোজ, ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম, এবং লিনাক্স। ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমকে প্রচুর কাজ সাম্লাতে সক্ষম হতে হবে, মেমরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এই কাজ করার জন্য তারা বিশাল পরিমাণ মেমরি, একাধিক প্রসেসর ও ডিস্ক স্টোরেজ ক্ষমতা থাকতে হবে। তাই এরা রিয়েল টাইম মাল্টিমিডিয়া ওএস হয়ে থাকে।
ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমকে সহজেই আপডেট করা যায়। এই ওএস জটিল GUI সমর্থন করে এবং এই কারণে তারা বৃহৎ মেমরি স্টেপ ধীরে লোড করতে পারে। ব্যবহারকারীদের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে না। এই ওএস ইউজার আর হার্ডওয়্যারকে কানেক্ট করে কেবল!

সার্ভারঃ

সার্ভার ওএস এর কোন GUI নেই। এদের কাজ হল ক্লায়েন্ট নিয়ন্ত্রণ করা। সারা পৃথিবীর বিশাল পরিমান ট্রাফিক ও ল্কায়েন্ত তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হয় বলে তাদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ও প্রসেসর দরকার হয়ে থাকে।


আরও পড়ুন

২০১৫ সালের টেক ওয়ার্ল্ডের সেরা ১০ তরুন বিলিওনেয়ার!

২০১৫ সালের টেক ওয়ার্ল্ডের সেরা ১০ তরুন বিলিওনেয়ার!
বিশ্বের বিলিয়নেয়ারদের দিকে তাকালে দিলে দেখা যায়, অধিকাংশ বিলিয়নিয়ার টেকনোলোজি জগতের নায়ক বলা চলে!
বিল গেটস হলো আর উপযুক্ত উদাহরণ। কারণ টেকনোলোজি জগতে বিল গেটসই গোটা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। যার বিলিয়নিয়ার হওয়ার অস্ত্র ছিল শুধুই টেকনোলোজি। তরুণ বিলিনিয়রদের দিকে তাকালেও সেখানে দেখা যায় টেকনোলোজির জয়জয়কার।
 হ্যাঁ, এখনকার তরুণদের আদর্শ কয়েকজন টেক ওয়ার্ল্ড বিলিওনেয়ারদের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো।

নিচে টাকার অংকে নয়, বয়স অনুজায়ি সাজিয়ে দেওয়া আছে, থাঙ্কস টু মারুফ ভাই!

#১ ইভান স্পিজেল


ইভান স্পিজেল - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার


ছবি শেয়ারিং মাধ্যম “স্ন্যাপচ্যাটের” সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও ইভান স্পিজেল হলেন বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার। ১.৫ বিলিয়ন ডলারের এই টেক হিরোর বয়স মাত্র ২৪ বছর।



#২ ববি মারফি


ববি মারফি - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
স্ন্যাপচ্যাটের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেন ববি মারফি। ইভান স্পিজেলের সহযোগী ববি মারফিরও সম্পত্তির পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন ডলার। আর বয়সে তিনি ২৬।


#৩ মার্ক জাকারবার্গ

মার্ক জাকারবার্গ - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
টেক জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় তরুণ উদ্যোক্তা এবং জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মার্ক জাকারবার্গ। ৩৬.৩ বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়ে এখন তিনি তরুণ বিলিয়নিয়ারদের মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন। এখন তাঁর বয়স ৩০। শুধু তরুণ বিলিয়নিয়ার হিসেবেই নয়, জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফোরবসের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৫ সালের সেরা বিলিয়নিয়ারদের মধ্যে তিনি ২০ নং অবস্থানে রয়েছেন।

#৪ ডাস্টিন মস্কোভিচ

ডাস্টিন মস্কোভিচ - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
সফটওয়্যার ফার্ম “আসানা” –এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও হলেন ডাস্টিন মস্কোভিচ। তিনি ফেসবুকে নিয়োগ পাওয়া তৃতীয় কর্মী হিসেবেও জানা যায়। ২০০৮ সালে তিনি ফেসবুক ছেড়ে দিয়ে গড়ে তুলেন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান “আসানা”। বর্তমানে তাঁর বয়স ৩০ এবং সম্পত্তির পরিমাণ ৮.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

#৫ রায়ান গ্রেভস

রায়ান গ্রেভস - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
ইউবারস এর প্রথম কর্মী রায়ান গ্রেভস হলেন রায়ান গ্রেভস। ৩১ বছর বয়সী রায়ান গ্রেভস ১.৪ বিলিয়ন সম্পত্তির মালিক।

#৬ ড্রিউ হাস্টন

ড্রিউ হাস্টন - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
জনপ্রিয় ফাইল শেয়ারিং সাইট ড্রপবক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও হলেন ড্রিউ হাস্টন। তাঁর বর্তমান বয়স ৩২। ২০০৭ সালে শুরু করা ড্রপবক্স ২০১৫ সালে তাঁকে বানিয়েছে ১.২৪ বিলিয়ন ডলারের মালিক।

#৭ এদুয়ার্দো স্যাভেরিন

এদুয়ার্দো স্যাভেরিন - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
এদুয়ার্দো স্যাভেরিন ৪.৯ ডলারের মালিক। তিনি ফেসবুকের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়া তাঁর সম্পদের উৎস হলো সিঙ্গাপুরের হাম্পটন ক্রিক এবং সিলভারকার-এ বিনিয়োগ।

#৮ সিন পারকার

সিন পারকার - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
সিন পারকার ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাটা সভাপ্রতি এবং ন্যাপস্টারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ৩৫ বছর বয়সে তিনি ২.৫ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির মালিক।

#৯ মাইক ক্যানোন-ব্রুকস

মাইক ক্যানোন-ব্রুকস - টেকনোলোজি জগতের সেরা ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার
অস্ট্রেলিয়ার সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান “আটলাসিয়ান” –এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন মাইক ক্যানোন-ব্রুকস। অবশ্য তিনি এই সফটওয়্যার ফার্ম তাঁর কলেজ বন্ধু স্কট ফারকোয়ারকে সাথে নিয়ে করেছিলেন। ১.১ বিলিয়ন ডলার মালিক মাইক ক্যানোন-ব্রুকসের বয়স এখন ৩৫।

#১০ স্কট ফারকোয়ার


মাইক ক্যানোন-ব্রুকসের সহযোগি বন্ধু স্কট ফারকোয়ারও তাঁর বন্ধুর বয়সেরই এবং সম্পদেও সমান! বয়স ৩৫, সম্পদের পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন ডলার! তিনি মাইক ক্যানোন-ব্রুকসের সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান “আটলাসিয়ান” – এর সহযোগি ছিলেন।
আরও পড়ুন

নিয়ে নিন ইংরেজি ও বাংলার ২০০ টি অসাধারণ ফন্ট একটি প্যাকেজে

নিয়ে নিন ইংরেজি ও বাংলার ২০০ টি অসাধারণ ফন্ট একটি প্যাকেজে
আপনি কি ফটোশপে গ্রাফিক্সের কাজ করেন?

তবে আপনার এটা কাজে লাগবে বলেই আমি সুনিশ্চিত। এখানে বাংলা ইউনিকোড, সিম্বল ফন্ট, ইংলিশ ফন্ট, আরাবিক ফন্ট, হিন্দি ফন্ট সকল ফন্টের বিভিন্ন স্তাইল এক করা আছে।

তবে বিজয়ের ফন্ট এখানে বেশি আছে।

বিজয় দিয়ে যারা লিখতে পারেন তারা অভ্র কীবোর্ডের টাস্কবার আইকন < টুলস < ইউনিকোড টু বিজয় কনভার্টার দিয়ে লিখতে পারেন।

অথবা এখানে থেকে টুলটি আলাদা ভাবে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

সিরিজের লোগো


ফন্ট প্যাক ১
ফন্ট প্যাক ২
ফন্ট প্যাক ৩


আরও পড়ুন

সে সকল গান যা বন্ধু দিবসে বন্ধুকে উৎসর্গ করতে পারেন

সে সকল গান যা বন্ধু দিবসে বন্ধুকে উৎসর্গ করতে পারেন
বন্ধু, পরিবারের মতই বন্ধুও গুরুত্বপূর্ণ।
কখন কাকে যে কোন প্রয়োজনে লাগে কে বলতে পারে? ভালো বন্ধু আসলেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ভালো বন্ধু হয়ে উঠতে পারে আপনার সহপাঠি, প্রতিবেশি, ভাই, বোন, মা, বাবা।

ভালো বন্ধু ছেলেও হতে পারে আবার মেয়েও হতে পারে, যদিও এতে অনেকের ভিন্ন মত রয়েছে।

বন্ধুকে বন্ধু দিবসে দিতে পারেন লকেট, রিষ্টব্যান্ড (যেটা দুটা কিন্তু দুটাই এক রকম) ইত্যাদি। ফুলও দিতে পারেন।

তবে বন্ধু দিবসের অনুষ্ঠানে যেসব গান আপনি সকলকে শোনাতে পারেন, (নিজ গলায় গান কিংবা স্পীকারে বাজান)
এরকম এযুগের ৩ টি গান আপনাকে দিচ্ছি,

বন্ধু - তপু
Bondhu - Topu

ডাউনলোড করুন



পুরো পৃথিবী এক দিকে আর আমি অন্য দিক,
সবাই বলে করছ ভুল আর, তোরা বলিস ঠিক ।
তোরা ছিলি ।
তোরা আছিস ।
জানি তোরাই থাকবি ।
বন্ধু...........বোজে আমাকে
বন্ধু আছে হে.... হে....  আর কি লাগে ।

সুসম্পর্ক, দূরসম্পর্ক , আত্নিয়, অনাত্নিয়
শত্রু, মিত্রু, রক্তে সম্পর্কে , কেউবা দ্বিতীয় ।
শত শত দূরে কাছে, বৈধ অবৈধ,
হাজারো এসব সম্পর্ক ভাঙ্গে , থাকে বন্ধুত্ব ।
তোরা ছিলি ।
তোরা আছিস ।
জানি তোরাই থাকবি ।
বন্ধু.........বোঝে আমাকে
বন্ধু আছে হে..... হে.....  আর কি লাগে ।

কিছু কথা যা, যায় না বলা কাওকে ,
কিছু কাজ যা, যায় না করা সহজে ,
কিছু আচরণ, মানে না কেউ সামনে ,
কিছু জায়গা যায় না যাওয়া চাইলেই ।
সবি হয়   যদি তোরা   থাকিস সেখানে  ।
বন্ধু..........বোঝে আমাকে
বন্ধু আছে হে.... হে.... / আর কি লাগে ।
বন্ধু..........বোঝে আমাকে
বন্ধু আছে হে.... হে....  আর কি লাগে ।


বন্ধু - মিনার

Bondhu - Minar

ডাউনলোড করুন


বন্ধু তোকে মনে পড়ে
এই শহরে এই বিকেলের একলা কোন পথে
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত রেস্তোরাঁর ব্যস্ত চায়ের কাপে

তোকে কি কখনও ভুলা যায়
তবুও দিন কেটে যায় !

বন্ধু তোকে মনে পড়ে খেলার মাঠে ক্রিকেট ব্যাটে
আর প্রাণহীন আড্ডায়
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
কলেজ ক্যাম্পাসের ধূসর প্রাঙ্গণের অসীম শূন্যতায়
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
সবুজ ঘাসের ঠোঁটের কোণে তপ্ত রোদের আভায়
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
রাতের রাজপথে সোডিয়াম আলো আর এক পশলা বর্ষায়


দেখা হবে বন্ধু - পার্থ মজুমদার
Dekha Hobe Bondhu - Partho Majumdar

ডাউনলোড করুন
দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে
দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে
দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপাগরতায়

দেখা হবে বন্ধু নাটকীয় কোনো বিনয়ী ভঙ্গিতে
ভালোবাসার শুভ্র ইঙ্গিতে
দেখা হবে বন্ধু নিয়ত প্রতিদিন পাশ কেটে যাওয়া
সন্ধ্যার হিমেল হাওয়ায়

দেখা হবে বন্ধু
শ্লোগান মুখর কোনো এক মিছিলে
ব্যস্ততা থেকে ধার দিলে
দেখা হবে বন্ধু
ভীষণ খেয়ালী মনের আতিথেয়তায়
উচ্ছাসে প্রনয় প্রাক্কালে
আরও পড়ুন

আইফনের রিংটোনে চক্রাকারে ঘোরে পিঁপড়েরা!!!

আইফনের রিংটোনে চক্রাকারে ঘোরে পিঁপড়েরা!!!
হ্যাঁ, বেশ মজার ভিডিও এটা।
ভাইরা ভিডিও ল্যাব প্রকাশ করেছে ভিডিওটি। ইউটিউবে তুলে দেওয়ার ভিডিওটি জনপ্রিয় হয়ে পড়ে। এর ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়েছে, আইফোনের রিংটোন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে।

পিঁপড়ারা অনেক সময় চৌম্বকক্ষেত্র ব্যবহার করে নিজেদের গুছিয়ে নেয়। চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে প্রতিক্রিয়াশীল অ্যান্টিনার মতো অঙ্গ রয়েছে তাদের। বহু দূর থেকেও তারা এর প্রভাব বুঝতে পারে এবং দলটিকে গুছিয়ে নিতে পারদর্শী।



সুত্রঃ সময় নিউজ



আরও পড়ুন

মোট পাতাদর্শিত