আমার দৃষ্টিতে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমার দৃষ্টিতে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হিন্দি সিরিয়ালের স্ক্রিপ্ট এবং আমাদের আইকিউ!

হিন্দি সিরিয়ালের স্ক্রিপ্ট এবং আমাদের আইকিউ!
বর্তমানে মা বোনদের কাছে ট্রেন্ড হল হিন্দি সিরিয়াল। একটা সন্ধ্যা যদি হিন্দি সিরিয়াল ছাড়া চলতে পারে, তবে ঘরে যেন নীরবতার শান্তি নেমে আসে।
আমি সিরিয়াল দুই চোখে দেখতে পারি না। এক নম্বর আজাইরা কারন, আমি একজন ছেলে, তাই কুটনামি সহ্য করতে পারি না। দেখলেই থাপড়ায় কালা পাটির সাদা দাঁত উপড়ায় দিতে মন চায়। হাজার হোক, বাপের টাকায় কেনা টিভি, তাই রাগ দেখাতে পারি না।
যে সিরিয়ালের কাহিনী আমরা মুখে সামারি বলতে লাগবে পনের কি বিশ মিনিট, এই চুলটারে টেনে টেনে পাঁচ বছরের প্যাঁচের কাহিনী বানাতে একজন স্ক্রিপ্ট রাইটারের লাগে সাড়ে পাঁচ ঘন্টা। এটা আমার উর্বর মস্তিষ্কের উদ্ভট ক্যাল্কুলেশনের মাধ্যমে বের করা হয়েছে।
বলতেই হবে কিন্তু,হিন্দি বা ভারতীয় বাংলা সিরিয়ালের স্ক্রিপ্ট রাইটারেরা এবং ডিরেক্টরেরা জাদু জানেন, একেবারেই ম্যাজিকমণি তারা! 
কিভাবে কিভাবে তারা পাঁচ মিনিটের তারছেঁড়া গল্পগুলোকে মা বোনদের মাথায় ইঞ্জেক্ট করে দিচ্ছে। সত্যি! বুদ্ধি আছে বলতে হবে। বুদ্ধি না থাকলে এসব বুলশিট অন এয়ারেই যেতে পারত না। এখন কিনা এসব সারাক্ষন চালানর জন্য গোটা দশেক চ্যানেলই আছে! যেমন স্টার গলশা, জী? বাংলা :p ভবিষ্যতে এসকিউএলআই এর বদলে বলা হবে এইচএসআই (হিন্দি সিরিয়াল ইঞ্জেকশন)
আচ্ছা, আমি এলা এট্টু ক্ষান্ত দেই। আপনেই বলেন, গত আট দশ বছরে দেখা সিরিয়ালে কোনো নতুনত্ব পেয়েছেন কি? 
সব চুলই একরকম, একটার সাথে আরেকটার কোন ফারাক নেই। গ্রামে যায়, একটা মেয়ের সাথে বিয়ে হয়, শহরে আসে, আরেকটা বিয়ে জোর করে হয়। ব্যাস! দুই সতীনের গৃহযুদ্ধ এবং অতঃপর ইতিহাস। 
আমি মুল প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে কাহিনী গুলোর অ্যালগোরিদম দিয়ে যাই।

অ্যালগোরিদম নাম্বার একঃ
পয়সাওয়ালার ছেলে গ্রামে যাবে, কোনো মেয়েকে বিপদে পড়তে দেখে বা বিপদে পড়ে বিয়ে করে নিবে। সেই মেয়ের পরিচয় সে গোপন রাখবে। শহরে যাবে, আগে থেকে ঠিক করে রাখা পয়সাওয়ালার লাফাঙ্গা কন্যাকে বিয়ে করবে। বিয়ের পর সে সবার সামনে প্রথম স্ত্রীর পরিচয় দেবে (হারামি আগে দিবে না) তারপর দুই বউ নিয়ে থাকবে। একসময় এক বউ আরেক পুরুষের প্রেমে পাগল হয়ে গ্রুপ লিভ দিবে। #ঠুগ_জীবন

অ্যালগোরিদম নাম্বার দুইঃ
এই কাহিনী গুলোয় টুইস্ট আছে। টাইমিং টুইস্ট। এবং জিলাপির টুইস্ট! দেখা যাবে একটা গল্প চলছে। একটা মেয়ের তার বাবা মায়ের সাথের সুখি জীবনের গল্প। মেয়ের বিয়ে হবে। বিয়ের পরে সে হটাৎ জানতে পারে তার শ্বশুর তার জন্মদাতা পিতা :3 আবার জিলাপির প্যাঁচ খেয়ে ইউ, ভি ডাবলু সব টার্ন মাইরা কাহিনী কোনদিকে গেছে সেটা বোঝা আরেকটা আইকিউ টেস্ট।

ঐদিন আম্মা কী একটা সিরিয়াল দেখছিল। সেখানে এক স্বামী তার স্ত্রীকে ছেরে পালিয়ে বেরাচ্ছে, কারন সে মিথ্যা মামলায় ফেরারি আসামি। মামলার কারন সে তার সৎ মায়ের খুনি। কিন্তু সৎ মা ছদ্মবেশে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। পুলিশের চোখে ধোঁকা দিতে সৎ মা মরার অভিনয় করে হাসপাতালে স্ট্রেচারে মৃতের মতো অভিনয় পর্যন্ত করে। ঠগ হইল এখানে, পুলিশ কি লাশ ময়না তদন্ত করে না। করলে তো বুড়ি লাফ দিয়া উইঠা বসতো!
ফেরারি আসামি স্বামী বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে যায়। সেখানে স্ত্রীকে দেখে তার প্রেম জাগ্রত হয়......
ইতিহাস......
কিন্তু তার সৎ ভাই  হিডেন ক্যামেরা সেট করে রাখে বলে স্ত্রীর সাথের ছবি তোলা হয়ে যায় গোপনে। হিডেন ক্যমেরার ভিডিও যখন ভিলেন সৎভাই নাটকীয় ভঙ্গিমায় দেখাতে যায়, তখন দেখা যায়, দুই পয়সার হিডেন ক্যামেরাও ফোর কে রেজুলেশনে ছবি তুলতে পারে। আবার সেই ইন্টারেক্টিভ ক্যামেরা! এদিক সেদিক নরে চরে! যেদিকে টারগেট, সেদিকে ফিরে ফোকাস করে ভিডিও করে। -_-
সামনে জোরে জোরে আওয়াজ দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, হাতের আইফোন দিয়ে তা ভিডিও করার বুদ্ধিটাও নেই।

আমাকে একটা জিলাপি দিবেন? খাই... খুব ঝাল তাই না???





আরও পড়ুন

আমাদের হাত জৈবিক, যান্ত্রিক নয় মন্ত্রিমশাই

আমাদের হাত জৈবিক, যান্ত্রিক নয় মন্ত্রিমশাই
এবার আরেক গুটির আবির্ভাব, ৭ খানা সৃজনশীল।
যখন থেকে আমাদের সৃজনশীল পদ্ধতির আবির্ভাব, তখন থেকেই আমরা ৬টি সৃজনশীল দিয়েই আসছি। এবার নাকি আমাদের পরানপ্রিয় শিক্ষামন্ত্রি নুরুল ইসলাম নাহিদ স্যার সুন্দর করে আমাদের ঘাড়ে আরেকটি বেশি সৃজনশীল চাপিয়ে দিয়েছেন।তাও একেবারে শেষ মুহূর্তে! যখন আমাদের এসএসসি পরীক্ষার আর মাত্র ৩টি মাস বাকি! এখন আমরা কিভাবে মাত্র ১০ মিনিট দিয়ে আরেকটি সৃজনশীল লিখবো যেখানে আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিটেই ৬টা লিখতে গিয়ে কুপোকাত হয়ে যাই? অনেকেই সম্পূর্ণ উত্তর লিখতে পারে না, মুল বক্তব্য লিখে চলে আসে, এই সময়ের অব্যাবস্থাপনায় তারা তাদের গ্রেড পায় কম। আবার অনেক দুর্বল শিক্ষার্থী না লিখেই চলে আসতে বাধ্য হয়।
কিভাবে কেবল মাত্র ৪ মাসে আমরা ১০ মিনিটে একটা সৃজনশীল লেখার অনুশীলন করবো? এটা কি কখনো সম্ভব?

চিত্রগ্রাহকঃ তাহজীব ইসলাম জামি


এখন যদি কিশোরদের কিশোরীদের বর্তমানের আদর্শ মানুষটাও, প্রিয় মানুষটাও তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান, এই অমানবিকতার পক্ষে থাকেন, তবে আমরা কি বলতে পারি?
আমার বন্ধু নাফসিন বিজ্ঞান কংগ্রেসে ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে কতগুলো প্রশ্ন করে,
ছিলো এইরকম,

নাফসিনঃ ২০১৭ সাল থেকে ৭ টা সৃজনশীল লেখতে হবে, এটা কি আপনি সমর্থন করেন?
মুহম্মদ জাফর ইকবালঃ অবশ্যই সমর্থন করি।
নাফসিনঃ স্যার, এটা করার উদ্দেশ্য কি?
মুহম্মদ জাফর ইকবালঃ আমি জানি না।(উনি না জেনেই সমর্থন করছেন)
নাফসিনঃ কিন্তু স্যার, আমাদের তো একটা প্রস্তুতির ব্যাপার আছে... আমরা সারাটা সময় ৬টা দিয়ে এসেছি, এখন শেষ মুহূর্তে এভাবে একটি বাড়িয়ে দিলে...
মুহম্মদ জাফর ইকবালঃ ৭টা যা, ৭০০টা তা, ৭০০০টা তাই... একই

ভিডিও কনভারসেশন লিংক 

আরেকজন কিছু বলতেই উনি বলে বসেন, অভিযোগ করবে না,যা দিয়েছে তা মেনে নাও এবং লিখতে না পারলে পড়াশোনা ছেড়ে দাও।

কেনো? লিখতে না পারলেই পড়াশোনা ছেড়ে দেবো কেনো? আপনারা যা খুশি করবেন, আর আমরা মুখ বুজে সহ্য করবো? কেনো? আমাদের দোষ কি? আমরা কি আপনাদের অফিসে গিয়ে পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্ন চুরি করে ফাঁশ করি? যেসব চুনোপুটি গুলো করে তাদের ধরেন... ধরে আমাদের হাতে ছাড়েন, দেখবেন আর প্রশ্ন চুরি যাবে না। প্রশ্ন চুরি যায়, ফাঁশ হয় আপনাদের মতো উঁচুদরের মানুশগুলোর বেখেয়ালিপনায়। যার ফলাফল আমরা ভোগ করি।




আরেকটা কথা ডিয়ার জাফর ইকবাল স্যার, আপনি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বোর্ড পরীক্ষক নন, আপনি জানেন না, আমরা কি পরিমান লেখার পর নাম্বার তুলি। আমরা কেবল মুল বক্তব্য লিখলে এবং কেবল মুল বিষয় লিখলে একটি উচ্চতর দক্ষতায় পাই ২ বা ৩। যেখানে আমরা আমাদের উত্তর দিয়ে ৪ এর মাঝে ৪ পাওয়ার যোগ্যতা রাখি সেখানে আমাদের ২ বা ৩ দেওয়া হয়। অনেক অমানুষের মতো শিক্ষক তো ইচ্ছেমত কম দিয়ে আবার খাতার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগগুলোয় পোষ্ট করেন।
আমরা অনেকটা বাধ্য হয়েই একটা ২০ লাইনের উত্তরের যায়গায় বেশি নাম্বারের আশায় রচনা লিখে ফেলি। সেখানে আমাদের সময় অনেক ক্ষেত্রেই কুলিয়ে উঠে না। এবং অনেকেই যে ৫টির পর লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে সেটা একটা ওপেন সিক্রেট।
এবং আমাদের এই সৃজনশীল শিক্ষা ব্যাবস্থা কখনই আমাদের সৃজনশীলতা বিকশিত করে না। হয়তোবা করে, আমরা বুঝতে পারি না 😁😁
তবে এই ৭টি সৃজনশীল কোনো সৃজনশীলতার বিকাশ নয়, বরং এটি আমাদের পরীক্ষার হলের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।




আমরা, মানে আমাদের এই এস এস সি ২০১৭ ব্যাচ যেনো সব কিছুর গিনিপিগ। আমাদের দিয়ে অংকে সৃজনশীল শুরু, JSC 2014
PSC শুরু আমাদের দিয়ে
এবার ৭টি সৃজনশীল শুরু আমাদের দিয়েই।
কেনো? আমরাই কেনো সবসময় এসব উদ্ভট শিক্ষানীতির শিকার?
 আমাদের হাত কিন্তু জৈবিক, যান্ত্রিক নয় মন্ত্রিমশাই 😒
আমরা এই অতিরিক্ত সৃজনশীল লিখবো না, আমাদের প্রথমেই জানালে হয়ত আমরা প্রস্তুতি নিতাম, শেষ মুহুর্তে কেনো? আমাদের পরের ব্যাচ থেকে সাতটি হোক। আপনাদের ভুলভ্রান্তির মাশুল আমাদের হাত কেনো দেবে?
আমরা এই ৭টি সৃজনশীল বয়কট করি।
আগামীকাল মিরপুর ১০ র‍্যালি এবং মানববন্ধন। ঠিক সকাল ১১.৩০ সময়ে, সকল শিক্ষার্থীকে স্কুল পোশাকে থাকার আমন্ত্রন জানাচ্ছি।

প্রথম প্রকাশঃ জিআর+, সেপ্টেম্বর, ২০১৬



আরও পড়ুন

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা ...একমিনিট! আগে সেলফি তুলে নেই!

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা ...একমিনিট! আগে সেলফি তুলে নেই!
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা ...একমিনিট! আগে সেলফি তুলে নেই!
আমি বুঝি না, সামনে কা'বা, রাব্বে কারীমের দরবার, বিভিন্ন স্টাইলে চলছে ফটোসেশন, কাকে খুশি করতে?
রাব্বে কারীমের সামনেই তাঁকে অবজ্ঞা?
নাহ, আমি আতঙ্কিত, ভিত ও সন্ত্রস্ত! আমার বুজে আসেনা এসব হাজিগন কি তাদের ফরজ ইবাদাত করতে গেছেন নাকি এই বর্তমানের মারাক্তক একটা ব্যাধি সেলফি তুলতে গেছেন ?? হয়ত আল্লাহ এই
সীমালংগনে বিরক্ত হয়েছেন তাই এই দুর্ঘঠনা হয়েছে !!এটা সেই মহান রাব্বে কারিমের দরবার যিনি শেষদিনের বিচারের মালিক তাকে অবজ্ঞা না না এ হতে পারে না !!আশ্চর্য্য এদের কানা খুড়া বিবেক দেখে যারা এই মহান ইবাদতে মহামারিতে ব্যাধিতে লিপ্ত । ধিক এসব বিবেকের যারা সেই মহান রব কে অবজ্ঞা করে >

সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের narcissistic বানিয়ে ছাড়ল!! আস্তাগফিরুল্লাহ!! এমন এক দুনিয়াতে আমরা বর্তমানে বসবাস করছি যেখানে আমরা সেলফি তে নিজেদের পারফেক্ট করাতে ব্যস্ত,অথচ নিজেদের
ঈমান পারফেক্ট করার কোনো খবরই নেই!! চিন্তা করা যায়?? কিভাবে মানুষ বিবেকহীনের মতো কাজগুলো করছে? সেলফির ভূত হাজীদের ও ছাড়লো না। বুঝা মুশিল তারা কি ইবাদাতের জন্য সেখানে
গিয়েছে নাকি সেলফির জন্য নাকি রিয়া?
মক্কায় যাওয়ার আগেই ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম গুলুতে খবর দেয়া হয়ে
যায়! চেক-ইন তো থাকেই! এতোটাই
আত্নকেন্দ্রিক হচ্ছি আমরা যে সব
জায়গাতেই আমাদের সেলফি তুলতেই
হবে,হোক সেতা বাথরুম/ বেডরুম/ কিচেন/
খাটের নিচে / খাটের উপরে/ ঝুলন্ত
অবস্থায় / উড়ন্ত অবস্থায় / খাওয়ার
আগে,মাঝখানে,শেষে/ ইত্যাদি ইত্যাদি !
আর এখন ধর্মীয় স্থানেও!!!

সুত্রঃ নক্সা ফেসবুক
আরও পড়ুন

আরেকবার ভাবুন!

আরেকবার ভাবুন!
এই ভিডিওটা দেখার পর আমারও ভাবার দরকার পড়লো।

একজন রাজনৈতিক নেতা সমাজের সেবা করে, সবাই তাকে চেনে, তাকে টিভিতে দেখায়।
কিন্তু সে কি মানুষের পাশে দাড়িয়ে বন্ধুর মতো সেবা করে?

আসলে, জনপ্রিয়তা আপনাকে সব এনে দিতে পারে না।
এই ডকুমেন্টারি ফিল্মে একজন মানুষ, যে মানুষের সেবায় নিজেকে নিলিয়ে দিলো, সে আসলে মানুষের ভালোবাসা আর আবেগটুকু গ্রহন করল।
একজন জনপ্রিয় তারকা বা রাজনৈতিক নেতা সেটা কখনই পাবে না ...

আর এই ভালবাসা,
.
.
আপনি টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন না।

আরেকবার ভেবে দেখুন...




If you haven't seen this video yet it's a must
Posted by Viral Thread on Tuesday, January 6, 2015
আরও পড়ুন

পিতাগণ,মাতাগণ, সন্তানদের একটু সমর্থন দিন

পিতাগণ,মাতাগণ, সন্তানদের একটু সমর্থন দিন
এমন কোনও খবর শোনেননি বলে মনে হয় না, আপনার এলাকার অমুকের বাবা অমুককে জোর করে মেডিক্যালে ভর্তি করে দিয়েছে। অথবা এঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কোথাও আডমিট করে দিয়েছে।
এরকম বাংলাদেশে অহরহ হচ্ছে।

এতে লাভ কি হচ্ছে জানেন? হ্যাঁ, ছেলেটি বা মেয়েটি হয়তো এমবিবিএস ডাক্তার হল, অথবা এঞ্জিনিয়ার হল।
কিন্তু সে যে অন্যকিছু হতে চেয়েছিলো সে খবর কে রাখে?

রোয়ান অ্যাটকিনসনকে চিনেন? সারা পৃথিবী তাকে " মিস্টার বিন " বলেই চেনে। তার ব্যাকগ্রাউন্ড কি জানেন?
উনি একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। তার বাবা-মা তাকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চাইলেন, আর পৃথিবী তাকে চিনল একজন বিখ্যাত কমেডিয়ান হিসাবে।

আমি এই পোস্ট আমার বাবার ওপর রাগ করেই করছি। তিনি আমার ওপর হতাশাবাদি। তার একটাই উক্তি,"তোমার দ্বারা কিছুই হবে না"
আমার এই কথাগুলো এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
পারিনাতো গুরুজনের সাথে বেয়াদবি করতে।

আমি এখনো বাবাকে জানাইনি যে আমি ভারতে একটা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছি। ইনশাআল্লাহ্‌ আমি একদিন তাকে মেডেল এনেই চমকে দেবো।

একজন ছেলে বা মেয়ে যখন স্বপ্ন দেখে, আমি বিজ্ঞানি হব, প্রযুক্তিবিদ হব। আর অভিভাবক মাঝে দিয়ে তার নিজ স্বপ্ন পুরনের জন্য তাদের স্বপ্ন নষ্ট করে দেন। এতে কি হয় জানেন? সে এটা ওএসবিহীন বায়স যুক্ত কম্পিউটারে পরিনত হয়। সে কাজ করবে, চাকরি করবে, কিন্তু কোনও আনন্দ পাবে না। জীবনটা বিস্বাদময় হয়ে থাকবে তার কাছে।

আমার মতে এই কারনেই আমাদের বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক হয় না, প্রখ্যাত পরমানুবিদ তৈরি হয় না।

দয়া করে আমাদের মতো স্বপ্নদ্রষ্টাদের একটু সমর্থন দিন, নাহলে এদেশের উন্নতি এই পর্যন্তই আটকে থাকবে।

আরও পড়ুন

আমদের নতুন যুগের তরুন বাঙ্গালি ইন্টারনেট কোথায় ব্যাবহার করে?

আমদের নতুন যুগের তরুন বাঙ্গালি ইন্টারনেট কোথায় ব্যাবহার করে?
বাংলাদেশ, এ এক অপরূপ সৌন্দর্যের চরনভুমি। দক্ষিণ এশিয়ার এক জনবহুল রাষ্ট্র। আয়তন ১.৪৭.৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। ....................


জানেনই বোধহয়, না জানলে এখান থেকে জানতে পারেন উইকিপিডিয়া

এদেশের মানুষ অত্তন্ত সহজ সরল। এদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তারা বেশ বিদ্রোহীয়। এদেশের প্রত্যেক ঐপনিবেশকে তারা সাহসিকতার সাথে এদেশ থেকে তাড়িয়েছে। এমনকি একাত্তর সালে ৩০ লক্ষ প্রানের বিনিময়ে স্বাধীনতাও কেড়ে এনেছে। আমরা তাদের শ্রদ্ধা জানাই। 

ভাই একটু থামবেন? আমি কিছু কবাম (!) ...........


এখন চলছে ডিজিটালের যুগ। মানুষের বগলে ট্যাব, পিঠে ল্যাপটপ। কানে হেডফোন, হাতে মোবাইল। সবাই এক আজব চিযে আছে। ইন্টারনেট। যাকেই ধরি, "ভাই নেটে কি করেন ?" সে মিষ্টি বা ভ্যাসকা বা অবজ্ঞার হাসি দিয়ে বলবে, " ইউটিউবে ভিডিও দেখি" কিংবা "লাইভে গান শুনি" কিংবা "গার্লফ্রেন্ডের খোঁজে আছি" আবার কিংবা "ফেসবুকাই!"
(দুঃখিত যে আমি কিংবা বেশি ইউজ করসি)

সবই ভালো। আসুন একটু ভেবে দেখি। ইউটিউবে গান কিংবা ভিডিও আমাদের চিত্তবিনোদন দ্যায়। গানেও আবেগ আসে কিংবা চিত্তবিনোদন দ্যায়। ফেসবুকেই নাহলে ভবিষ্যতের বউ পেলেন ( পরে বিয়ে করবেন কিনা আপনার ব্যাপার )। কিন্তু এগুলো আপনাকে কোনও শিক্ষা দিচ্ছে কি?

এখানে হয়তো অনেকে বলবেন ফেসবুকে অনেক গ্রুপে জ্ঞান - বিজ্ঞানের অনেক কিছু থাকে। ইউটিউবে অনেক চ্যানেলে শিক্ষামূলক অনেক কিছু থাকে। আপনারা হয়তো দেখাবেনও যে আপনি অমুক গ্রুপের মেম্বার, তমুক চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার।

এখানে প্রশ্ন ...

আপনি কয়দিন ঐ গ্রুপে ঢুকেছেন, পোস্ট দেখে কিছু শিখেছেন ?
কয়দিন চ্যানেল থেকে ভিডিও দেখেছেন?

আমাদের এই বর্তমান সরকারের একটা গুণ, প্রযুক্তিকে আনাচে - কানাচে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে।

আপনি তার কতটুকু নিচ্ছেন?


হয়তো রবির internet.org এর কথা শুনেছেন। তারা ফেসবুককে বাংলাদেশে ফ্রিতে বেশ কয়টি ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সুবিধা দিচ্ছে। এতে আপনি খুশি। অনেকে খুশি।
এখানে আমার প্রশ্ন, আপনি কি free.facebook.com ছাড়া কোথাও গেছেন? উইকিপিডিয়াও ফ্রি ।

সেখান থেকে কি কিছু শিখেছেন?

এই প্রশ্ন গুলো আপনার কাছে।

আপনি যদি ইউরোপ আমেরিকায় তাকান, তারা সামাজিক যোগাযোগ করে ঠিকই। অন্যান্য কাজে সমান তাল রাখে।
ওদেশের গ্রেড ৯ - ১০ এর ছেলে -  মেয়েরা হয় কোনও কিছু ডিজাইন করে, কম্পিউটারে নকশা আঁকে, কিঙ্গা প্রোগ্রামিং বা ওয়েব ডেভেলপিং করে।

বাংলাদেশে এই তরুণদের না জেগে ওঠার আরেকটা কারন হল, অনলাইনে ভালো কোনও বাংলা কন্টেন্ট নেই।
তবে আমরা যারা নেট ইউজ করছি, তারা কেউ নিশ্চয়ই ইংরেজি জানি না, এমন মানুষ নেই।

তবে কেন ইন্টারনেটে শিক্ষায় আপনার এতো অনিহা ? এতো কেবল বিনোদনের বস্তু নয়... © তাওসিফ তুরাবি

আরও পড়ুন

#দেয়ার খুশি - চাপাবাজি কাকে বলে?

#দেয়ার খুশি - চাপাবাজি কাকে বলে?

উজ ফিড

Tawsif Torabi Arif Sikder এর ছবি ভাগ করেছেন।


গ্রামিনফোনের নতুন বিজ্ঞাপন টা দেখতেছি কিছুদিন ধরেই। বাহারি এক বিজ্ঞাপন, নাম দিয়েছে 'দেয়ার খুশি'।

তো বিজ্ঞাপনের মুলকথা হইল আপনি আপনার ফেলে রাখা স্মার্টফোন টি আমাদের দিন। আমরা আরো ৫০০ টি ( সং্খ্যাটা মনে রাখুন, পরে হিসাবে লাগবে) সহ সেগুলো সুবিধাবঞ্চিত সম্ভাবনাময় এন্টারপ্রেনারদের কাছে পৌছে দেব।
অতি উত্তম প্রস্তাব। কিন্তু এইখানে আমার দুইখান প্রশ্ন আছে.....


১. বাংলাদেশের কয়জন লোকের কাছে দিয়ে দেয়ার মত সম্পূর্ণ সচল ভাল অবস্থায় অতিরিক্ত স্মার্টফোন আছে?
২. যাদের আছে, ( ইয়ে মানে, আমাদের মত আমজনতা না আরকি) তাদের কয়জন আসলে বাংলা চ্যানেল দেখে? আই মিন কয়জনের কাছে মেসেজটা পৌছাচ্ছে?

এইবার আসি শুভংকরের আসল ফাকিতে....

টিভিসি টার সময় হইল ১মিনিট ৩সেকেন্ড, কেটেকুটে ধরলাম ৫০ সেকেন্ড কমসেকম দেখায়।
বাংলাদেশেরর সব টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের হার মোটামুটি এক ই। ( বিটিভি নামক উচুতলার চ্যানেলের রেট বেশি, তাই হিসাব থেইকা সে কাটা)।

অফ পিক সময়ে ১০ সেকেন্ড ৪ হাজার।তো অফ পিক সময়ে প্রতিবার বিজ্ঞাপন দেখাতে গ্রামিনফোন গুনছে ২০,০০০ টাকা। ( পিক আওয়ার আর নিউজ টাইম বাদ ই দিলাম, সেই হিসাব শুনলে মাথা ঘুরে যেতে পারে)
সারাদিন এই বিজ্ঞাপন কোন চ্যানেলে ১০০ বারের কম দেখায় না। (এক্টু আগে রাতে খেতে বসেই চ্যানেল আই তে ৩বার দেইখা ফেলছি, তাও নিউজ এর মধ্যে)
তো চ্যানেলপ্রতি এই বিজ্ঞাপন দেখাতে প্রতিদিন গ্রামিনফোনের খরচ দাড়ায়....
২০০০০X১০০---- ২০,০০,০০০ (বিশ লক্ষ টাকা)
আর ১০ চ্যানেলে দেখালে আরেকটা শুন্য বাড়িয়ে নিন। জী, ২,০০,০০,০০০/-, মাত্র দুই কোটি টাকা (এইটাই সবচে কম, পিক আর নিউজটাইম ধরলে ৩কোটির কম হবে না)

খুব ভাল কথা।
তো আমার কথা হইল......
১. দুই মাসে এই বিজ্ঞাপনের পেছনে গ্রামিনফোনের যে ১২০ কোটি টাকা খরচ হইল( মেকিং বাদে, শুধু প্রচারে) তাহা কাহাদের টাকা মহাশয়?
২. আমজনতার ১২০ কোটি টাকা খরচ করিয়া কয়খানা পুরাতন স্মার্টফোন পাওয়া গেল তাহা কিভাবে জানা যাইবে?
৩. প্রতিটি মোটামুটি মানের যাহা দিয়া আমার মত গরিবের ইন্টারনেট সহ অন্যান্য কাজ, অকাজ ভালভাবেই চলিয়া যায় তাহার গড় দাম যদি ১৫০০০ ধরি ( গ্যাজেট ফ্রিকরা দুরে যান, তানিয়াগো কেউ আইফোন সিক্স দিব না দেওনের খুশির লইগা) তাইলে ১২০ কুটি টেকায় কয়টা স্মার্টফোন কেনা সম্ভব?

১২০,০০,০০,০০০/১৫,০০০----- ৮০,০০০( আ আ শি হাজার)
জী, আপনি ভুল শোনেননি, আশি হাজার জনকে স্মার্টফোন দেয়া যায় খালি দুই মাস এই বিজ্ঞাপনের টাকায়। আর শালারা দিবে ৫০০ ।

আর তাই এমুন মাইকিং করতাছে ভাবখানামনে হয় কি না জানি কি....

আসলে কর্পোরেট দুনিয়াডাই এইরকম
"কাজের কাজে নাই
আসেন চাপা পিটাই"

হাজার বছর সোজ নল এর মধ্যে রাখলেও কর্পোরেট দুনিয়ার লেজ কোন দিন সোজা হবেনা
যেমন মিডিয়া ডেকে দান করা smile emoticon
আরও পড়ুন

শেখাচ্ছেন কি? শৃঙ্খলা না চুরিবিদ্যা?

শেখাচ্ছেন কি? শৃঙ্খলা না চুরিবিদ্যা?
আজ আমাদের স্কুলে নোটিস দিয়ে বলা হল,
সকল  ছাত্র ছাত্রীর সোশ্যাল মিডিয়ার একাউন্ট বন্ধ করে দিতে হবে। কারও আইডি পাওয়া গেলে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

কারন কি জানেন? এক ছেলে প্রেমিকা নিয়া ফটো আপডেট করেছিলো।
আচ্ছা, আমার দোষ কি? আমি কি প্রেম করসিলাম?
যে করসে তারে শাস্তি দিয়া দিতো।

আচ্ছা, এখন শিক্ষার্থীরা ফেক আইডি বেশি চালাবে। ছুরি চামারি করে বা লুকিয়ে এফবি তো চালাবেই।

তো দরকার কি শুধু শুধু চুরিবিদ্দা শিখানোর?

তারচেয়ে যে ছবি দিয়েছে তাকেই কিছু করা হোক!

সরকার বলেছে, "সবার জন্য ইন্টারনেট"
এটা তো তাহলে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হয়ে যায় নাকি?

আমি অতশত জানি না। আমার কাছে এই নোটিস ভালো লাগে নাই।
আপনারা কি মনে করেন কমেন্টে বলে যাবেন ।
 
 
আরও পড়ুন

None But এবং আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা

None But এবং আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা

ইংরেজি ক্লাস হচ্ছে।
টপিক transformation.
স্যার প্রস্ন করলেন, “কেউ কি এটা পারবে? “Only Allah Can Help Us. “?
“জী স্যার, আমরা পারবো”
“তবে কর”

আফটার ১ মিনিট...

“ স্যার হইয়া গেছে !”
“ কি লিখেছ? “
স্যার, None But Allah can help Us
“ আচ্ছা none but মানে বলতে পারবা? “
“উম...... না স্যার, বলতে পারবো না ”
“ কি অবস্থা তোমাদের! None but  মানে জান না ”

উপরের এই ঘটনা আমার সামনে ঘটা।

যে জবাব দল সে ক্লাসের অন্নতম ভালো ছাত্র।
আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে দোষারোপ করার জন্য এই উদাহরন যথেষ্ট না।
আমাদের পরাশনাকে ‘গরু’ রচনা থেকে ‘রাঁচি ভ্রমন’ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। বাহিরে জাওয়া যায় না। জেতেও দেওয়া হয় না।

ফিজিক্সের শিক্ষককে ভারসিটি লেভেলের প্রস্ন করলে তিনি জবাব না দিয়ে বলবেন ‘তুমি বুঝবে না’
আমার বন্ধু সালেহিন শিক্ষককে জিজ্ঞাস করল, ‘স্যার, সিপি প্রতিসাম্য কি?’
এই বয়শে তার ফিযিক্স বইতেতো আর সিপি প্রতিসাম্মের সংজ্ঞা থাকে না।
এক্ষেত্রে উনি জবাব দিলেন না, উনি জানেন না।
সালেহিন এর ধারনা পায় বিজ্ঞান পত্রিকা থেকে।
স্যার তো ফিজিক্সের শিক্কক হিসাবে বিজ্ঞান পত্রিকা পরতে পারতেন।
আবার আমার আরেক বন্ধু হিমেল বিজ্ঞান কংগ্রেসের জন্য গবেশনায় আছে। সে জরিপে পেল পড়ার স্মরণশক্তি কোথায় কেমন হয়।
সে শিক্ষকদের ৩টি ক্যাটাগরি করেছে। ১. পেটায়  ২. কম পেটায়  ৩. পেটায় না

তার গবেশনায় সফল ১ ও ২
১ ও ২ ছাত্রদের পড়াতে সক্ষম।


কিছু শিক্ষক ছাত্রদের মানশিক চাহিদা বুঝতে পারেন না। তাদের মানশিকতা এরেকম যে, মাইরের অপর ঔষধ নাই ।

আবার মুখস্তবিদ্দা আরেক বড় সমস্যা।

মুখস্থবিদ্যায় শিক্ষিত হওয়া যায়, মানুষ হওয়া না।

এছাড়া একটা ছাত্রের দায়িত্ব নিজেকে জানা ও বোঝা।
সে কোন ধরনের কাজের যোগ্য ও কিসে তার আগ্রহ তা তাকেই জানতে হবে এবং সে মাফিক ক্যারিয়ার গরতে হবে।

তেমনি অভিভাবকের দায়িত্ব আছে।
তাদের কখনই সন্তান্দের ওপর জোড় করে কোনও কিছু চাপাতে পারবেন না।
সন্তান সেচ্ছায় ডাক্তার হতে চাইলে হতে দিননা, সমস্যা কি?
ডাক্তারের বদলে সে এঞ্জিনিয়ার হলে সে এঙ্গিনিয়ার হবে, কিন্তু তার মনের ইচ্ছা আর শপ্ন ভেঙ্গে গুড়িয়ে যাবে।
আর সে হয়ে যাবে একটা যন্ত্র।

অনেকে ভাবেন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া ভালো চাকরি নাই।

একজন ওয়েব ডেভেলপার একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে লক্ষ টাকা কামাতে পারেন।
বিল গেইটস একজন পড়াশোনা না জানা কম্পিউটার প্রোগ্রামার।
স্তিভ জবস বেশিদিন পড়তে পারেন নি টাকার জন্য।
একজন পাইলট বিমানে দেশ বিদেশ ঘরেন, মাসে ২ লাখ টাকা কামান।
একজন ফটোগ্রাফার বনে বাদাড়ে ঘুরে ছবি তোলেন, তার মাশিক আয় ৮০ হাজার টাকা।

আমাদের দেশে সৃজনশীল পদ্দতি চালু করা হয়েছে।
আমি সৃজনশীলতার আভাস পাচ্ছি না।

আসলে আমাদের মানশিকতা বাপ – দাদার আমলে আটকে গেছে।
ডাক্তার থেকে ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত আমাদের দৌড়।

একজন ছাত্র চাইলেও পদার্থবিদ না হয়ে হয়ে যায় সচিব।
একজন ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক না হয়ে হয়ে যায় আদর্শ মাতা কিংবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।








আরও পড়ুন

প্রযুক্তির বাংলা

প্রযুক্তির বাংলা
দিন আসলেই বদলে গেছে। সেই একচেটিয়া ইংরেজির দিন আর নেই। এসেছে ইউনিকোড।
প্রায় সব ভাষা এর অন্তর্ভুক্ত।, তেমনি বাংলা।

সকল ভাষার সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে যেন প্রযুক্তির বাংলা ।

ইমেইল, টুইট, স্ট্যাটাস, ওয়েবসাইট, ব্লগিং, ব্যাংকিং সব হচ্ছে বাংলায়।
ভাষা ও প্রযুক্তিবিদরা একে বলছেন বাংলা ভাষার বিপ্লব হিসাবে।

উইকিপিডিয়া অনুসারে, বর্তমানে প্রায় ২৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ বাংলায় কথা বলেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা এবং ভারতে ২য় সর্বাধিক কথিত ভাষা বাংলা।

আন্তর্জাতিক ভাষা ও বর্ণ সংকেতায়ন ব্যবস্থা “ইউনিকোড” –এ বাংলা যুক্ত হওয়ার পর খুলে জায় সম্ভাবনার দুয়ার।
গুগল তাদের ১৩০টি ভাষার সাথে বাংলাও যুক্ত করেছে।

জিমেইলের ১২ টি ফোনেটিক ভাসার সাথে আছে বাংলা।
ফলে কেউ ইংরেজিতে বাংলা উচ্চারণে কিছু লিখলে তা বাংলা হরফে পরিণত হবে।
১ম বাংলা সফটওয়্যার ছিল “বিজয়” যেটা ১৯৮৭ সালে বের হয়।
একই নামে প্রথম কীবোর্ড চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
১৯৫২ সালে ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময় আমরা পেয়েছি এই বাংলা ।
আসুন, আমরাও প্রযুক্তিতে ব্যবহার করি বাংলা । তাদের রক্তের মূল্য দেই।
সার্চ ইঞ্জিন, ইমেইল, ফেসবুক, টুইটারে ব্যবহার করি বাংলা।


“Ami Bnglay Ktha Boli” না লিখে লিখি “আমি বাংলায় কথা বলি”
আরও পড়ুন

মোট পাতাদর্শিত