টিওটরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টিওটরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সফারের সহজ কিছু পথ

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সফারের সহজ কিছু পথ
ডাটা ট্রান্সফার বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কমন একটা টাস্ক।
হোক মোবাইল ডিভাইস বা কম্পিউটার, আমরা নানা কাজে ডাটা ট্রান্সফার করছি।
উম... একটা কথা, আমি কিন্তু ইন্টারনেট ডাটার কথা বলছি না 😒😒

আমাদের নানা অফলাইন কন্টেন্ট শেয়ার করার কথাই বলছি। হতে পারে কোনো গান, মিউজিক ভিডিও, অ্যাপ, ছবি এটসেট্রা।
মোবাইলে এই কাজটা অনেক সহজ ও দ্রুতগতির। কারণ শেয়ার ইটের মতো অ্যাপ বর্তমানে ওয়াইফাই ব্যাবহার করেই উচ্চগতিতে ইন্টারনেট ছাড়া ফাইল ট্রান্সফারের সুবিধা দিচ্ছে, যার আগে কিনা আমরা ব্লুটুথ দিয়ে ৬০ কেবিপিএস স্পিডে ফাইল ট্রান্সফার করতাম।
এখন অবশ্য ব্লুটুথের স্পিড অনেক খানি বেড়েছে, এই স্পিড পেতে আপনাকে উচ্চ মানের ব্লুটুথ মডিউল ব্যাবহার করতে হবে, যেমন ৩.০ ভারসন বা তার উপরে।



আচ্ছা, কাজের কথায় আসি। ডেস্কটপে থেকে ডেস্কটপে ডাটা ট্রান্সফারে আমরা পেনড্রাইভ ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু পেনড্রাইভ যত বড় স্পেসের হোক না কেন, আমরা বিশাল পরিমান ডাটা ট্রান্সফার করতে গেলে আটকে যাবই।

আসুন একটা কেইস স্টাডি করি,
আমার একটা মুভি ফাইল আছে, ব্লু রে, ৬.৯ গিগাবাইট।
এখন আমার পেনড্রাইভ আছে মাত্র ৪ গিগাবাইটের। তো এখন উপায়? একটা উপায় এখানে আছে, মুভি ফাইলটিকে জিপ করে ফাইল স্প্লিটার দিয়ে ভেঙে নিয়ে ছোটো ছোটো করে ট্রান্সফার করা। কাজটা পানির মতো মনে হলেও ডাটা করাপশনের সম্ভাবনা ৮০% এবং এটি আপনার সময়কে নুরুল্লাহর মতো ভক্ষন করে ত্যাগ করে দিবে। 😂😂
আমাদের পিসি যদি ওয়াইফাই এনাবেল করা হয়, তবে আমরা শেয়ার ইটের ডেস্কটপ ভারসন অথবা শেয়ার লিংক অ্যাপ্লিকেশন ব্যাবহার করে ফাইল ওয়াইফাই ব্যাবহার করে ট্রান্সফার করতে পারবো। একইভাবে এটা ল্যাপটপ কম্পিউটার যুগলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। 😜😜

আচ্ছা, আমি আপনাদের অনেকের... মানে...
যারা এই শেয়ার ইট বা শেয়ার লিংক অ্যাপলিকেশন ডাউনলোড করে ইন্সটাল দিয়ে ওয়াইফাই ফাইল ট্রান্সফার পারবেন না, তাদের জন্য আরেকটি পোস্ট করে রেখেছি, সেটিতে একটু চোখ বুলিয়ে আসলে ভালো হয়, আর নাহলে আমি এই পোস্টেই উল্লেখ করে দিবো কিভাবে ওয়াইফাই দিয়ে ডাটা ট্রান্সফার করবেন, তাতে অনেক বড় পোস্ট হবে, আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে...

আমরা এই পোস্টে কয়েকটা স্টেপের মাঝে দিয়ে যাবো, যেমন,
  1. ল্যাপটপ থেকে ল্যাপটপ
    1.1  কানেক্ট2(শেয়ার ইট) অ্যাপ ব্যাবহার করে
    1.2  ল্যান ক্যাবল ব্যাবহার করে
    1.3  শেয়ার লিঙ্ক ব্যাবহার করে
  2. ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ
    2.1  ল্যান ক্যাবল ব্যাবহার করে
    2.2  রাউটার ব্যাবহার করে
  3. ডেস্কটপ থেকে ডেস্কটপ
    3.1  ল্যান ক্যাবল ব্যাবহার করে
    3.2  রাউটার ব্যাবহার করে

এই ল্যান ক্যাবল কিংবা রাউটারের কথা শুনে অনেকেই পিছিয়ে যাবেন... কি কারনে?
৯০ টাকা দিয়ে একটা ৪ মিটারের ল্যান ক্যাবল কিনতে প্রবলেমটা কোথায়? আর রাউটার? বাসায় ব্রডব্যান্ড নিলে আপনিই নিজের তাকিদেই রাউটার কিনবেন। :p

এবার আমরা একের পর এক ফেজের মাধ্যমে দেখি কিভাবে দুইটি পিসিতে সহজে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো।


ল্যাপটপ থেকে ল্যাপটপ

ল্যাপটপ কম্পিউটারে ডাটা ট্রান্সফার বেশ সুবিধারই! কারন এটে বিল্ট-ইন ওয়াইফাই এডাপ্টার, ব্লুটুথ রেডিও এবং পাশাপাশি একটা ল্যান মিনিপোর্ট থাকে। তাই আমরা ইচ্ছে করলে যেকোনো পদ্ধতিতে ল্যাপটপ থেকে ল্যাপটপে নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী পথে তথ্য আদান প্রদান করতে পারি।


১.   কানেক্ট2 (শেয়ার ইট) অ্যাপ ব্যাবহার করে



হ্যাঁ, আমরা শেয়ার ইট বা, বর্তমানের নাম কানেক্ট টু অ্যাপলিকেশান ব্যাবহার করে সহজেই আমরা দুইটি ওয়াইফাই এনাবেল করা ল্যাপটপে হাই স্পিড ডাটা ট্র্যান্সফার করতে পারবো। এটি ডেভেলপ করেছে লেনোভো।
তাই আমাদের প্রথমে http://shareit.lenovo.com/ ওয়েবসাইট থেকে শেয়ার ইটের ডেস্কটপ ভার্সন ডাউনলোড করে নিতে হবে।

এবার দুইটি ল্যাপটপে শেয়ার ইট বা কানেক্ট টু সফটওয়ারটি এনাবেল করা থাকলে আমরা সহজেই ফাইল সিলেক্ট করে ফাইল শেয়ারিং করতে পারবো বন্ধুর বা সহকর্মীর পিসির সাথে, আর আমরা এতে স্পিড প্রায় ৫০ এমবিপিএস অতিক্রম করবে। কিন্তু শেয়ার ইট বা কানেক্ট টু দিয়ে কিন্তু আপনি চাইলে ল্যাপটপ থেকে মোবাইলেও ট্রান্সফার করতে পারবেন ডাটা। এতে মোবাইলে শেয়ার ইট অ্যাপটি ইন্সটাল করা থাকতে হবে।




ল্যান টু ওয়ে ক্যাবল
২.  ল্যান ক্যাবল ব্যবহার করে

ল্যান ক্যাবল দিয়ে আমরা আরও সহজে ট্রান্সফার করতে পারবো আমাদের প্রয়োজনীয় ডাটা। এটা একটু গেঞ্জাম মনে হতেপারে, কারন অনেকেই এখন আর তার দিয়ে কাজ করা প্রেফার করে না। কিন্তু এই ভাবে আমরা বেশ স্পিডেই ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো। আমরা এখানে ল্যান মিনি পোর্টের পুরো ব্যান্ডউইথ ইউজ করতে পারবো।
প্রথমে আমাদের ল্যান টু ওয়ে ক্যাবল দিয়ে দুইটি ল্যাপটপের ল্যান পোর্ট দিয়ে কানেক্ট করতে হবে।
তারপর চাইলে আমরা মাইক্রোসফটের হোমগ্রুপ ব্যাবহার করে ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবো।এই হোমগ্রুপ সকল উইন্ডোজ পিসিতেই  বিল্ট ইন থাকে। স্টার্ট মেনুতে গিয়ে সার্চ করলেই খুঁজে পাবেন।
হোমগ্রুপ ব্যবহার করে কিভাবে ফাইল শেয়ার করা যায় তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে "উইন্ডোজে হোমগ্রুপ ব্যবহার করে দুইটি পিসিতে ফাইল শেয়ার করো" শীর্ষক আমার লেখা পোস্টটি পড়ে দেখতে পারো। এখানে আমি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছি।
এছাড়া DLan সফটওয়ারটি ব্যাবহার করে আমরা ফাইল শুধু শেয়ার না, পুরো হার্ডড্রাইভ শেয়ার করতে পারবো। এই সফটওয়্যারটি ওপেন সোর্স। ডাউনলোড করতে হলে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ডিল্যান দিয়ে ফাইল শেয়ার করতে হলেও দুইটি পিসিতে সেটাপ করা থাকতে হবে।







৩.  শেয়ার লিঙ্ক ব্যাবহার করে

শেয়ার লিঙ্ক অনেকটাই শেয়ার ইট বা কানেক্ট টু'র মতো সফটওয়ার, এর অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং উইন্ডোজ ভার্সনও আছে, কিন্তু পার্থক্য হলো, শেয়ার ইট বা কানেক্ট টু কেবল ওয়াইফাই হটস্পটে কাজ করে, আর শেয়ার লিঙ্ক পুরো নেটওয়ার্কের মাঝে কাজ করতে পারে, মানে হোক ওয়াইফাই হটস্পট কিংবা রাউটার হোম নেটওয়ার্ক। দুটতেই সে সমান পারদর্শী। শেয়ার ইটের মতোও এর ডেভেলপার বেশ নামিদামি, আসুস।
এর ব্যাবহার খুবই সোজা, আপনারা এর ইউজার ইন্টারফেইস দেখলেই ব্যাবহার করতে পারবেন, অনেকটা শেয়ার ইটের মতো।
অ্যাান্ড্রয়েড সংস্করণ ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে। এবং ডেস্কটপ বা কম্পিউটার সংস্করণ ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে।

এছাড়াও আরও অনেকভাবে আমরা ল্যাপটপ থেকে ল্যাপটপে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারি যেগুলো হয়তো আমি জানি না, কেউ জেনে থাকলে প্লিজ কমেন্টের মাধ্যমে আমাকে অবহিত করবেন।



ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ


ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপে ডাটা ট্রান্সফার একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ইউজারের জন্য কারন অধিকাংশ ডেস্কটপ সিপিইউতে তেমন কোনো নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস থাকে না, মানে বিল্ট ইন থাকে না। আবার ল্যাপটপে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ল্যান মিনিপোর্ট কেবল বিল্ট ইন থাকে এবং ব্লুটুথ রেডিও, ওয়াইফাই এডাপ্টার মূলত বিল্ট ইন থাকে। আমরা আর ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই-এর দিকে না গিয়ে কেবল সাধারন একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের কিভাবে ল্যাপটপের সাথে ডাটা ট্রান্সফার করবো তা দেখে নিই,



ল্যান টু ওয়ে ক্যাবল
১.  ল্যান ক্যাবল ব্যবহার করে

ল্যান ক্যাবল দিয়ে আমরা সহজে একটি ল্যাপটপ এবং একটি ডেস্কটপের মাঝে ট্রান্সফার করতে পারবো আমাদের প্রয়োজনীয় ডাটা। এই ভাবে আমরা বেশ স্পিডেই ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো। আমরা এখানে ল্যান মিনি পোর্টের পুরো ব্যান্ডউইথ ইউজ করতে পারবো।
প্রথমে আমাদের ল্যান টু ওয়ে ক্যাবল দিয়ে ল্যাপটপের এবং ডেস্কটপের ল্যান পোর্ট কানেক্ট করতে হবে।
তারপর চাইলে আমরা মাইক্রোসফটের হোমগ্রুপ ব্যাবহার করে ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবো।এই হোমগ্রুপ সকল উইন্ডোজ পিসিতেই  বিল্ট ইন থাকে। স্টার্ট মেনুতে গিয়ে সার্চ করলেই খুঁজে পাবেন। কিন্তু উইন্ডোজের ভার্সন বা সংস্করণ মিলতে হবে, নাহলে কাজ করবে না।
হোমগ্রুপ ব্যবহার করে কিভাবে ফাইল শেয়ার করা যায় তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে "উইন্ডোজে হোমগ্রুপ ব্যবহার করে দুইটি পিসিতে ফাইল শেয়ার করো" শীর্ষক আমার লেখা পোস্টটি পড়ে দেখতে পারো। এখানে আমি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছি।
এছাড়া DLan সফটওয়ারটি ব্যাবহার করে আমরা ফাইল শুধু শেয়ার না, পুরো হার্ডড্রাইভ শেয়ার করতে পারবো। এই সফটওয়্যারটি ওপেন সোর্স। ডাউনলোড করতে হলে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ডিল্যান দিয়ে ফাইল শেয়ার করতে হলেও দুইটি পিসিতে সেটাপ করা থাকতে হবে।



২. রাউটার ব্যবহার করে

প্রতীকী রাউটার

আমরা অনেকেই রাউটার দিয়ে হোম নেটওয়ার্ক তৈরি করি। 

মূলত আমরা যারা ব্রডব্যান্ড কানেকশান অথবা সিঙ্গেল মোডেমের ইউজার তারা একটা কানেকশান শেয়ার করে অনেক ডিভাইজে চালাতে রাউটার বা সুইচ ব্যাবহার করেন। 

বর্তমানে দাম সাশ্রয়ী হওয়ায় এবং ওয়ারলেস ল্যানের সুবিধা থাকায় রাউটারের ব্যাবহার বেশি। 

রাউটারের সাহায্যে যদি কোনো তৈরি নেটওয়ার্কে একটি ল্যাপটপ এবং একটি ডেস্কটপ  একসাথে থাকে তবে আমরা এখানে ডিল্যান, হোমগ্রুপ এবং অন্যান্য থার্ড পার্টি ল্যান শেয়ারিং সফটওয়ার ব্যাবহার করে সহজে ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবো।






ডেস্কটপ থেকে ডেস্কটপ

ডেস্কটপ থেকে ডেস্কটপে ডাটা ট্রান্সফার একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ইউজারের জন্য কারন অধিকাংশ ডেস্কটপ সিপিইউতে তেমন কোনো নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস থাকে না, মানে বিল্ট ইন থাকে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ল্যান মিনিপোর্ট কেবল বিল্ট ইন থাকে। তাছাড়া ব্লুটুথ রেডিও এবং ওয়াইফাই এডাপ্টার মূলত কাস্টম কিনে নিয়ে ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে সংযুক্ত করে ব্যাবহার করতে হয়। আমরা আর ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই-এর দিকে না গিয়ে কেবল সাধারন এক্টী ডেস্কটপ কম্পিউটারের কিভাবে ডাটা ট্রান্সফার করবো তা দেখে নিই,


১.  ল্যান ক্যাবল ব্যবহার করে

ল্যান ক্যাবল দিয়ে আমরা সহজে একটি ডেস্কটপ এবং আরেকটি ডেস্কটপের মাঝে ট্রান্সফার করতে পারবো আমাদের প্রয়োজনীয় ডাটা। এই ভাবে আমরা বেশ স্পিডেই ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবো। আমরা এখানে ল্যান মিনি পোর্টের পুরো ব্যান্ডউইথ ইউজ করতে পারবো।
ল্যান টু ওয়ে ক্যাবল

প্রথমে আমাদের ল্যান টু ওয়ে ক্যাবল দিয়ে দুইটি ডেস্কটপের ল্যান পোর্ট কানেক্ট করতে হবে।
তারপর চাইলে আমরা মাইক্রোসফটের হোমগ্রুপ ব্যাবহার করে ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবো।এই হোমগ্রুপ সকল উইন্ডোজ পিসিতেই  বিল্ট ইন থাকে। স্টার্ট মেনুতে গিয়ে সার্চ করলেই খুঁজে পাবেন। কিন্তু উইন্ডোজের ভার্সন বা সংস্করণ মিলতে হবে, নাহলে কাজ করবে না।
হোমগ্রুপ ব্যবহার করে কিভাবে ফাইল শেয়ার করা যায় তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে "উইন্ডোজে হোমগ্রুপ ব্যবহার করে দুইটি পিসিতে ফাইল শেয়ার করো" শীর্ষক আমার লেখা পোস্টটি পড়ে দেখতে পারো। এখানে আমি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছি।
এছাড়া DLan সফটওয়ারটি ব্যাবহার করে আমরা ফাইল শুধু শেয়ার না, পুরো হার্ডড্রাইভ শেয়ার করতে পারবো। এই সফটওয়্যারটি ওপেন সোর্স। ডাউনলোড করতে হলে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ডিল্যান দিয়ে ফাইল শেয়ার করতে হলেও দুইটি পিসিতে সেটাপ করা থাকতে হবে।


২. রাউটার ব্যবহার করে

প্রতীকী রাউটার

আমরা অনেকেই রাউটার দিয়ে হোম নেটওয়ার্ক তৈরি করি। 

মূলত আমরা যারা ব্রডব্যান্ড কানেকশান অথবা সিঙ্গেল মোডেমের ইউজার তারা একটা কানেকশান শেয়ার করে অনেক ডিভাইজে চালাতে রাউটার বা সুইচ ব্যাবহার করেন। 

বর্তমানে দাম সাশ্রয়ী হওয়ায় এবং ওয়ারলেস ল্যানের সুবিধা থাকায় রাউটারের ব্যাবহার বেশি। 

রাউটারের সাহায্যে যদি কোনো তৈরি নেটওয়ার্কে দুইটি ডেস্কটপ  একসাথে থাকে তবে আমরা এখানে ডিল্যান, হোমগ্রুপ এবং অন্যান্য থার্ড পার্টি ল্যান শেয়ারিং সফটওয়ার ব্যাবহার করে সহজে ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবো।

আরও পড়ুন

লম্বা সময় কম্পিউটার চালিয়ে চোখের বারোটা বাজাচ্ছেন নাতো? কিছু টিপস আপনার জন্য

লম্বা সময় কম্পিউটার চালিয়ে চোখের বারোটা বাজাচ্ছেন নাতো? কিছু টিপস আপনার জন্য
আসসালামু আলাইকুম,
লম্বা সময় অনেক অনলাইন এক্টিভিস্টকেই স্ক্রিনে চোখ রাখতে হয়। এতে চোখের উপর প্রচুর চাপ পড়ে।
এতে দৃষ্টি ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
এতে আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতেই পারেন যদি অকালে মোটা কাচের চশমা না পড়তে চান।

এক্ষেত্রে আমরা ঘরে অবশ্যই সূর্যের আলো আসতে দেবো, তবে তা যেন সরাসরি চোখে বা স্ক্রিনে প্রতিফলিত না হয়। এতে স্ক্রিনের লেখা পড়তে অসুবিধা হবে এবং চোখের বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

ঘর কম উজ্জ্বল হলে ভাল হয়। ঘরে টিউব বা টাংস্টেন ইউজ করা যেতে পারে। তবে তা যেনও  সরাসরি চোখের উপর না থাকে।



কম্পিউটার স্কিনে আলোর যে রিফ্লেকশন তৈরি হয় বা গ্লেয়ার তৈরি হয় তা আই স্ট্রেইন বারিয়ে দেয়। এতে আপনার মাথা ব্যাথা করতে পারে, বা ঘুম পেতে পারে। এক কথায় চোখ ক্লান্ত হয়ে পরবে।

এছারা আপনি যদি সিআরটি মনিটর ব্যাবহার করে থাকেন, তবে দ্রুত এলসিডি কিনে ফেলুন, এলইডি না কিনলেই ভাল। এলইডি লাইফলাইক ডিসপ্লে দিলেও তা চোখের উপর চাপ ফেলে। এলসিডি মনিটরে অ্যান্টি গ্লেয়ার লেয়ার দেয়া থাকে। এতে সহজে উপরে রিফ্লেকশন তৈরি হয় না। সেসব কিনলে ভাল। এছাড়া চোখের চাহিদা মতো ব্রাইটনেস এবং কন্ট্রাস্ট কমিয়ে বারিয়ে নিতে পারেন।সিআরটি মনিটর ডিসপ্লে ফ্লিকার বা কাপাকাপি করে যা চোখের জন্য ক্ষতিকর।

এছাড়া এখন বেশ কিছু সফটওয়্যার আছে যা রুটিন করে মনিটরের ব্রাইটনেস বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেয়।
এখান থেকে আমি f.lux ব্যাবহার করতে বলবো। এটা ফ্রি সফটওয়্যার, ব্যাবহার সোজা। এটা জিপিএস দিয়ে আপনার লোকেশন বুঝে নেয়ার চেস্টা করবে বা লোকেশন জিজ্ঞাসা করবে, সেই মাফিক সে সূর্যোদয় সূর্যাস্ত সময় বের করে মনিটরের আলো নিয়ন্ত্রন করবে। আবার এগুলো কাস্টমাইজ করা যায়। ডাউনলোড করুন।

কম্পিউটারের ডিসপ্লে সেটিং কাস্টমাইজ করে নিতে পারেন।

  • Brightness মিডিয়াম রাখবেন। বেশি বা কম করে রাখবেন না।
  • Text size and contrast. লেখার আকৃতি বড় করে দিবেন, দেখতে সুবিধা হবে। চোখের পেশি আরাম পাবে এতে। এছাড়া কন্ট্রাস্ট সামান্য বারিয়ে দেবেন, এতে লেখা স্পষ্ট হবে।
  • Color temperature. কালার টেম্পারেচার কমিয়ে দিন। নীল আলোর আধিক্য কমিয়ে দিয়ে কমলা আলো বারিয়ে দিবেন।তবে বেশি না।
স্যামসাং মনিটরে MagicTune সফটওয়্যার ডাউনলোড করে সহজেই এই কনট্রোল করতে পারবেন।
এছাড়া একটানা ২০ মিনিট মনিটরে তাকাবেন না, দূরে কাছে চোখ ফোকাস করে ক্লান্তি কমিয়ে নিতে পারেন।

আরও পড়ুন

Wifi Connected Laptop থেকে Desktop এ ইন্টারনেট শেয়ার করুন!

Wifi Connected Laptop থেকে Desktop এ ইন্টারনেট শেয়ার করুন!
আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন?
অনেকে নানা প্রয়োজনে ল্যাপটপে ওয়াইফাই দিয়ে রাখেন, বা মডেম ইউজ করেন। কিন্তু যারা একটি মডেমের ইউজার, তারা এই পদ্দতিতে সহজেই ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপে একটি তার দিয়ে হাই স্পিড ইন্টারনেট শেয়ার করে ইউজ করতে পারেন।
এরজন্য আপনার লাগবে দুটো কম্পিউটার, এবং একটি হাই স্পিড ইদারনেট ক্যাবল, বা টু ওয়ে ল্যান ক্যাবল। এটা যেকোনো কম্পিউটার দোকানে ৭০-৮০ টাকার মাঝেই পাওয়া যাবে।
এখানে আমাদের নেটওয়ার্ক কানেকশান ব্রিজ ব্যাবহার করতে হবে।
এখন আমাদের A ল্যাপটপে ইন্টারনেট বা ওয়াইফাই আছে, B কম্পিউটারে নেই।
এখন খালি স্টেপগুলো ফলো করে যান।

স্টেপঃ ১
A ল্যাপটপে ওয়াইফাই কানেক্ট করে নিন।

স্টেপঃ ২
কানেকশান ব্রিজ তৈরি করুন।
A ল্যাপটপে, 
Adapter Settings এ যান
(Control Panel -> Network and Sharing Center -> Change adapter settings)
Local Area Connection এবং Wireless Network Connection একসাথে সিলেক্ট করে রাইট ক্লিক করে "add to Bridge" দিন






স্টেপঃ ৩
এখন A এবং B কম্পিউটার ক্যাবল দিয়ে কানেক্ট করলেই ইন্টারনেট এক্সেস পাবেন। এই স্পিড একটুও কমবে না। মেইন ব্যান্ডউইথের মতই থাকবে।

 এবার মনে হচ্ছে আপনি সহজেই আপনার ওয়াইফাই এনাবেল বা চালু করা ল্যাপটপ থেকে অতি দ্রুত গতির এবং হাই ব্যান্ডউইথের  ইন্টারনেট আপনার নন ওয়াইফাই এনাবেল বা ওয়াইফাই ছাড়া ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে পাচ্ছেন।
তো অনেকে হয়ত তাদের কিছু সমস্যার সমাধান পেলেন, আবার নতুন কিছু জানলেনও।

তাই আজ আল্লাহ হাফেজ। সুযোগ পেলে আমার ব্লগে ঘুরে আসবেন, আপনার বয়স ১৮ এর কম হলে চাইলে ব্লগের নিউজ পোর্টালে রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিতে পারেন।আমার ব্লগ ও নিউজ পোর্টাল জিআর+ বাংলাদেশ

সৌজন্যেঃ জিআর+ বাংলাদেশ

আরও পড়ুন

ফেসবুক করেছে বন্ধ? হয়ে যান ডিজিটাল।

ফেসবুক করেছে বন্ধ? হয়ে যান ডিজিটাল।
আসসালামু আলাইকুম,বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হল ফেসবুক টুইটার সহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেওয়া। অনেকে রসিকতা করে একে ফেসবুকের ঈদ বলছে। আসলেই তাই! আগেরদিন ৫২ জন অনলাইন দেখলাম, আজ ৫ জন।

এখন প্রশ্ন, কিভাবে ফেসবুক সহ অন্যান্য ব্যান ওয়েবসাইট চালাবেন?

সোজা, খুবই সোজা।



আপনি যদি পিসি দিয়ে অপেরা চালান, তবে Hola Extention ব্যাবহার করতে পারেন। হোলা দিয়ে আপনি ইচ্ছা মতো দেশ সিলেক্ট করে প্রক্সি চালাতে পারবেন। এটা আপনি ক্রোম ও মোজিলা ওয়েব স্টোরেও পাবেন। এতে যেকোনো নিষিদ্ধ সাইট চালান যায়।

এছাড়া আপনি AnnonymoX ব্যাবহার করতে পারেন, এটা ক্রোম ও মোজিলা ওয়েব স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।

Windows and android ব্যাবহারকারিরা SuperVPN, Hotspot Shield জাতীয় অ্যাপ দিয়ে ভিপিএন কানেকশান দিয়ে ফেসবুক, ভাইবার চালাতে পারেন।


আরও পড়ুন

কিভাবে বায়স (BIOS) আপডেট করবেন ?

কিভাবে বায়স (BIOS) আপডেট করবেন ?



অনেকেই ভালো হার্ডওয়্যার ব্যবহার করেও ভালো পারফরমেন্স পান না।
অনেকেই আবার ড্রাইভার আপগ্রেড করেন।

কিন্তু জানেন কি,

  যে বায়াসও আপগ্রেড করা যায়!

প্রথমে,

মাদারবোর্ডের বায়াস প্রোটেকশন জাম্পার (যদি থাকে) এর সেটিংস্‌ "Allow BIOS flasing" করে দিন।
অথবা, যদি মাদারবোর্ডের "Firmware write protect" সুবিধা থাকে,তবে টা Disable করে দিন।যা BIOS কে Remove বা Overwright হওয়া থেকে রক্ষা করে।
একটি Bootable Drive বা CD তৈরি করুন। (Windows এর ওয়েবসাইট থেকে সাহায্য নিন।)
একটি কার্যকরী (Official site থেকে নামালে ভালো হয়ে) Flash Utility Softwere এবং Motherboard এর সাইট থেকে BIOS এর ফাইল ডাউনলোড করুন।
যা কিছু ডাউনলোড করেছেন টা Bootable Drive এ রাখুন।
বর্তমান BIOS থেকে "Boot Priority item" change করে যে ড্রাইভ বা সিডিতে আছে তাতে সেট করে নিন।
এখন ড্রাইভ বা সিডিটি ইনসার্ট করে পিসি রিবুট করুন।

এখানে মনে রাখবেন,

BIOS setup file কোনও .exe ফাইল নয়।

বরং এটি .rom file

যেমনঃ 55482nd44E.rom


এখন যদি বুট আপ এর সময় কোনও কম্যান্ড অপশন আসে তবে,
১ম কাজ,
প্রথমে Flash Utility programe এর নাম তারপর বায়াস এর Setup file এর নাম লিখুন।
এবং এন্টার চাপুন।

যখন ইন্সটল হয়ে যাবে,Bootable Drive খুলে ফেলুন এবং রিস্টার্ট করুন।
যদি Flash BIOS Jumper থাকে,তুবে তা আগের অবস্থানে নিয়ে যান।

পিসি নিজেই রিস্টার্ট করবে।
আরও পড়ুন

কিভাবে পেনড্রাইভ থেকে ড্যামেজ ফাইল রিকভার করবেন ?

কিভাবে পেনড্রাইভ থেকে ড্যামেজ ফাইল রিকভার করবেন ?

আজকে আপনাদের দেখাবো কিভহাবে pendrive থেকে hidden file recover করবেন।




দেখতে পাচ্ছেন আমার pendrive বেশ space কম।

আমি গতকাল বেশ কিছু photo তুলেছিলাম।

কিন্তু কোনও সমসসার কারনে তা hide হয়ে গেছে।

এখন যা করবেন,
*নোটপ্যাড খুলুন।

*লিখুন  attrib-r -h -s *.*


*Save করুন  UnHide.bat নামে। এখানে আবার ফাইল টাইপ All files করে দিবেন।

*ব্রাউজার ওপেন করুন।
*ড্রাইভ লেটার বসান Webaddress এর জায়গায়। যেমন K:/



লেখা শেষ হয়েছে?

আপনার আক্রান্ত pendrive এর ড্রাইভ লেটার কি?

আমার k:\

আমার লুকান hidden ফাইল গুলো আমি দেখতে পাচ্ছি!

বেশ সহজ! তাই না?



থাকুন আমাদের সাথে।

Team SPSC এর পক্ষ থেকে আপানাকে ধন্যবাদ।

আমি Tawsif Torabi




Thanks!






দেখলেন তোঁ? আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ!
আরও পড়ুন

অনলাইনে নিজের ইচ্ছামত কারসর ডিজাইন করুন

অনলাইনে নিজের ইচ্ছামত কারসর ডিজাইন করুন
হ্যাঁ, www.cursor.cc একটি অসাধারণ কার্সর দিজাইনের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন।

আপনি এখানে ইচ্ছা মতো কাস্টম ট্রান্সপারেন্ট পিএনজি ফাইল আপলোড করে কার্সর বানাতে পারেন।

আবার অসাধারণ কার্সর পাবলিশ করতে পারেন ফ্রিতে।

ইচ্ছামতো দিজাইনের কার্সর বানিয়ে ডাউনলোড করে নিজের পিসিতে সেটআপ করতে পারেন।

ইমেজ থেকে বানাতে

ট্রান্সপারেন্ট বানাতে

আরও পড়ুন

ওয়াইজ রেজিস্ট্রি ক্লিনার

ওয়াইজ রেজিস্ট্রি ক্লিনার
আসসালামু আলাইকুম,
আজকে আপনাদের একটা পিসি ক্লিনার দিব।

এটাকে পিসি ক্লিনার বলা যায় না, কারন এটা একটা রেজিস্ট্রি ক্লিনার।
এটা সম্পূর্ণ ফ্রি, কোনো ক্র্যাক দরকার নাই।

এর নাম “Wise Registry Cleaner” বা ওআইজ রেজিস্ট্রি ক্লিনার।
তৈরি করেছে Wise Cleaner Group





এতে আছে একটা রেজিস্ট্রি ক্লিনার, একটি রেজিস্ট্রি ডিফ্রাগম্যানটার এবং সিস্টেম টিউনআপ ইউটিলিটি।

রেজিস্ট্রি ডিফ্রাগম্যানটার ব্যাবহার করার পর আপনার পিসি রিবুট করবে, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নাই।

আপনি ডাউনলোড করে নিন।





ওয়েবসাইট www.wisecleaner.com
ট্যাগঃ Wise Registry Cleaner
আরও পড়ুন

কিভাবে কম্পিউটার দিয়ে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন ?

কিভাবে কম্পিউটার দিয়ে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন ?
আজ আপনাদের শিখিয়ে দিব কিভাবে Wi Fi অথবা Smartphone এ Interenet সংযোগ ছাড়াই পিসি দিয়ে Apps Download করতে হয়।

১ম এ www.Google.com এ যান।
এবং গেমের নাম লিখে সার্চ দিন।


২য়ত গুগল প্লে লিংক এ প্রবেশ করুন।

৩য়ত ওয়েব লিঙ্কটি কপি করুন।

৪রথ ধাপে www.apk-dl.com এ যান।


৫ম ধাপে সেই গুগল প্লে লিঙ্ক পেস্ট করুন।এবং GO! button এ ক্লিক করুন।


একটি পেজ আসবে,তাতে অ্যাপ ডিটেল এবং ডাউনলোড লিঙ্ক থাকবে।

পরবর্তী ধাপ ;)


ডাউনলোড করে উপভোগ করুন!!



ধন্যবাদ যে কষ্ট করে পড়েছেন।









আরও পড়ুন

মোট পাতাদর্শিত